ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন: জামায়াত আমির নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার পথে মর্মান্তিক মৃত্যু জেলা বিএনপি নেতার যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে দুর্ঘটনা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে যা বললেন চরমোনাই পীর সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা নেই: ইসি নির্বাচন ঘিরে যান চলাচলে বিধি নিষেধ মোটরসাইকেল ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ ৮২ ঘণ্টা নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জামায়াত প্রার্থীর বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্ত শুরু দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদের প্রার্থিতা স্থগিতের আবেদন হাইকোর্টে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা হাসিনার আমলের নির্বাচনকে মনে করিয়ে দিচ্ছে

নির্বাচন ঘিরে যান চলাচলে বিধি নিষেধ মোটরসাইকেল ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 13

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সিক্যাব, ব্যক্তিগত কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

তবে জরুরি ও বিশেষ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত যানবাহন এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহনকারী যানবাহন এবং সংবাদপত্র পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়িও নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া বিমানবন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে টিকিট বা সমজাতীয় প্রমাণ দেখাতে পারলে যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান এবং আন্তঃজেলা চলাচলেও এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী একটি এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট একটি ছোট যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

তবে জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা এবং আন্তঃজেলা যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না বলে জানানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

শেয়ার করুন

নির্বাচন ঘিরে যান চলাচলে বিধি নিষেধ মোটরসাইকেল ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ

আপডেট: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সিক্যাব, ব্যক্তিগত কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

তবে জরুরি ও বিশেষ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত যানবাহন এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহনকারী যানবাহন এবং সংবাদপত্র পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়িও নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া বিমানবন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে টিকিট বা সমজাতীয় প্রমাণ দেখাতে পারলে যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান এবং আন্তঃজেলা চলাচলেও এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী একটি এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট একটি ছোট যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

তবে জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা এবং আন্তঃজেলা যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না বলে জানানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।