গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সরিয়ে অন্য কোনো দেশে স্থানান্তরের জন্য নিজেই সরাসরি কূটনৈতিক উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
আগামী ২৭ অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরায়েলি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, গাজার প্রতিটি ফিলিস্তিনির অন্য যেকোনো দেশে চলে যাওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।
কোন কোন দেশ ফিলিস্তিনিদের গ্রহণে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে কিংবা কার সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ চলছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
একই সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, গাজা উপত্যকায় বর্তমানে দখল করে রাখা ৬০ শতাংশেরও বেশি এলাকা থেকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) প্রত্যাহার করার কোনো পরিকল্পনা তেলআবিবের নেই।
এর আগেও ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি রাজনীতিবিদদের পক্ষ থেকে গাজাবাসীদের প্রতিবেশী বা তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তরের প্রস্তাব তোলা হয়েছিল, যা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষসহ আরব বিশ্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে। বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, বছরের পর বছর ধরে অব্যাহত সামরিক অভিযানে গাজার ঘরবাড়ি, হাসপাতাল ও অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে চরম মানবিক সংকট তৈরি করা হয়েছে। এমন এক অবরুদ্ধ ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে গাজাবাসীদের অন্য দেশে পাঠানোর যেকোনো উদ্যোগ স্বেচ্ছামূলক নয়, বরং এটি তাদের ঐতিহাসিক পিতৃভূমি থেকে স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করার শামিল।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
মন্তব্যসমূহ