ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মাসে প্রায় ৪ কোটি টাকা লোকসান কর্ণফুলী টানেলে

মাসে প্রায় ৪ কোটি টাকা লোকসান কর্ণফুলী টানেলে
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের একমাত্র টানেল থেকে প্রত্যাশিত আয় হচ্ছে না। সর্বশেষ হিসাবে প্রতি মাসে টোল থেকে গড়ে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হলেও পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হচ্ছে ৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ফলে মাসে গড়ে ৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ঘাটতি থাকছে, যা কোনো কোনো হিসাবে প্রায় ৪ কোটি টাকায় পৌঁছাচ্ছে।

যানবাহন চলাচল প্রত্যাশিত মাত্রায় না পৌঁছানোয় উদ্বোধনের তিন বছর পরও টানেলটি লোকসানে রয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে টানেলের ব্যবহার বাড়াতে চট্টগ্রাম থেকে টানেল হয়ে কক্সবাজারে সরাসরি যাতায়াত সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আনোয়ারা-চন্দনাইশ হয়ে বিদ্যমান ১৭ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৬ কোটি টাকা। ‘টানেল কানেক্টিং টু গাছবাড়িয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে প্রকল্পটি ইতোমধ্যে একনেকের অনুমোদন পেয়েছে।

সওজের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, টানেলের সঙ্গে যুক্ত বর্তমান সড়কগুলো দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের জন্য যথেষ্ট উপযোগী নয়। বর্তমানে টানেল ব্যবহার করে কক্সবাজারের দিকে যাওয়া যানবাহনকে আনোয়ারা থেকে পটিয়া ক্রসিং হয়ে মহাসড়কে উঠতে হয় অথবা পেকুয়া দিয়ে যেতে হয়। এ কারণে অনেক যানবাহন টানেলমুখী হচ্ছে না।

সওজ চট্টগ্রাম দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বাসসকে বলেন, “এখন টানেল দিয়ে যে গাড়িগুলো কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয় সেগুলোকে আনোয়ারা থেকে উল্টো দিকে পটিয়া ক্রসিংয়ে এসে মহাসড়কে উঠতে হয় অথবা পেকুয়া হয়ে যেতে হয়। এই ঘোরাঘুরির কারণে যানবাহনগুলো এদিকে আসেনা। এই অবস্থায় আনোয়ারা থেকে সরাসরি এই সড়কটি চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। তাতে কক্সবাজারে যেতে ৩০ মিনিট কমে যাবে। এই সড়কটির কাজ শেষ হলে টানেল দিয়ে যানবাহন চলাচল অনেক বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।”

প্রকল্পের আওতায় আনোয়ারার কালাবিবির দীঘি থেকে বরকল ব্রিজ পর্যন্ত অংশের জন্য ১৮২ কোটি টাকা এবং বরকল ব্রিজ থেকে চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত অংশের জন্য ১৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুই অংশের টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার পর কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পিন্টু চাকমা।

বরকল ব্রিজ থেকে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত প্রায় ১০ দশমিক ২ কিলোমিটার অংশের সড়কের প্রস্থ হবে ১০ দশমিক ৩ মিটার। বর্তমানে পুরো সড়কটি ১৮ ফুট প্রশস্ত। প্রকল্পের মাধ্যমে তা বাড়িয়ে ৩৪ ফুট করা হবে। বেশি বাঁক থাকা অংশগুলো সরল করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জায়গায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে।

এ ছাড়া বাজার এলাকায় আরসিসি রিজিড পেভমেন্ট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নয়টি ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলানোর উপযোগী করেই সড়কটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পিন্টু চাকমা বলেন, “সবকিছু হচ্ছে টানেল কার্যকর করার প্রয়োজন এবং বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে। ঠিকাদার কাজ শুরু করার দুই বছরের মধ্যে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।”

কর্ণফুলী টানেলের মূল দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর এটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়িত প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ছিল প্রায় ৮ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। পরে তা বেড়ে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। এর মধ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা।

নতুন সড়কটি চালু হলে টানেল ব্যবহার করে কক্সবাজার যাত্রায় দূরত্ব, সময় ও জ্বালানি ব্যয় কমবে এবং টানেলের আয় বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছে।

চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু বলেন, “শ্বেতহস্তী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া, সরকারের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ানো কর্ণফুলী টানেল কার্যকর বা লাভজনক করার ক্ষেত্রে এই সড়কটি নিয়ামক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার ধারণা। আর এটার প্রভাব শুধু টানেলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আনোয়ারা ও চন্দনাইশের মানুষের কর্মমুখী ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। এতে সড়কের দুই পাশে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবহনসেবা ও বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠতে পারে। সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান। শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিকল্প সড়কটি বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারা ও চন্দনাইশের মানুষজন নিজের বাড়িতে থেকেই বাস্তবায়নাধীন চীনা অর্থনৈতিক জোনে কাজ করার সুযোগও পাবে। একই সঙ্গে কর্ণফুলী টানেল, ছয় লেনের সংযোগ সড়ক এবং কক্সবাজারমুখী এই নতুন নেটওয়ার্ক পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামে শিল্প ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন পথ উন্মোচিত হবে।”

ট্যাগ : চট্টগ্রাম কর্ণফুলী টানেল

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


মাসে প্রায় ৪ কোটি টাকা লোকসান কর্ণফুলী টানেলে

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের একমাত্র টানেল থেকে প্রত্যাশিত আয় হচ্ছে না। সর্বশেষ হিসাবে প্রতি মাসে টোল থেকে গড়ে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হলেও পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হচ্ছে ৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ফলে মাসে গড়ে ৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ঘাটতি থাকছে, যা কোনো কোনো হিসাবে প্রায় ৪ কোটি টাকায় পৌঁছাচ্ছে।

যানবাহন চলাচল প্রত্যাশিত মাত্রায় না পৌঁছানোয় উদ্বোধনের তিন বছর পরও টানেলটি লোকসানে রয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে টানেলের ব্যবহার বাড়াতে চট্টগ্রাম থেকে টানেল হয়ে কক্সবাজারে সরাসরি যাতায়াত সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আনোয়ারা-চন্দনাইশ হয়ে বিদ্যমান ১৭ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৬ কোটি টাকা। ‘টানেল কানেক্টিং টু গাছবাড়িয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে প্রকল্পটি ইতোমধ্যে একনেকের অনুমোদন পেয়েছে।

সওজের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, টানেলের সঙ্গে যুক্ত বর্তমান সড়কগুলো দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের জন্য যথেষ্ট উপযোগী নয়। বর্তমানে টানেল ব্যবহার করে কক্সবাজারের দিকে যাওয়া যানবাহনকে আনোয়ারা থেকে পটিয়া ক্রসিং হয়ে মহাসড়কে উঠতে হয় অথবা পেকুয়া দিয়ে যেতে হয়। এ কারণে অনেক যানবাহন টানেলমুখী হচ্ছে না।

সওজ চট্টগ্রাম দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বাসসকে বলেন, “এখন টানেল দিয়ে যে গাড়িগুলো কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয় সেগুলোকে আনোয়ারা থেকে উল্টো দিকে পটিয়া ক্রসিংয়ে এসে মহাসড়কে উঠতে হয় অথবা পেকুয়া হয়ে যেতে হয়। এই ঘোরাঘুরির কারণে যানবাহনগুলো এদিকে আসেনা। এই অবস্থায় আনোয়ারা থেকে সরাসরি এই সড়কটি চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। তাতে কক্সবাজারে যেতে ৩০ মিনিট কমে যাবে। এই সড়কটির কাজ শেষ হলে টানেল দিয়ে যানবাহন চলাচল অনেক বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।”

প্রকল্পের আওতায় আনোয়ারার কালাবিবির দীঘি থেকে বরকল ব্রিজ পর্যন্ত অংশের জন্য ১৮২ কোটি টাকা এবং বরকল ব্রিজ থেকে চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত অংশের জন্য ১৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুই অংশের টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার পর কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পিন্টু চাকমা।

বরকল ব্রিজ থেকে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত প্রায় ১০ দশমিক ২ কিলোমিটার অংশের সড়কের প্রস্থ হবে ১০ দশমিক ৩ মিটার। বর্তমানে পুরো সড়কটি ১৮ ফুট প্রশস্ত। প্রকল্পের মাধ্যমে তা বাড়িয়ে ৩৪ ফুট করা হবে। বেশি বাঁক থাকা অংশগুলো সরল করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জায়গায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে।

এ ছাড়া বাজার এলাকায় আরসিসি রিজিড পেভমেন্ট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নয়টি ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলানোর উপযোগী করেই সড়কটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পিন্টু চাকমা বলেন, “সবকিছু হচ্ছে টানেল কার্যকর করার প্রয়োজন এবং বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে। ঠিকাদার কাজ শুরু করার দুই বছরের মধ্যে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।”

কর্ণফুলী টানেলের মূল দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর এটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়িত প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ছিল প্রায় ৮ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। পরে তা বেড়ে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। এর মধ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা।

নতুন সড়কটি চালু হলে টানেল ব্যবহার করে কক্সবাজার যাত্রায় দূরত্ব, সময় ও জ্বালানি ব্যয় কমবে এবং টানেলের আয় বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছে।

চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু বলেন, “শ্বেতহস্তী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া, সরকারের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ানো কর্ণফুলী টানেল কার্যকর বা লাভজনক করার ক্ষেত্রে এই সড়কটি নিয়ামক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার ধারণা। আর এটার প্রভাব শুধু টানেলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আনোয়ারা ও চন্দনাইশের মানুষের কর্মমুখী ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। এতে সড়কের দুই পাশে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবহনসেবা ও বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠতে পারে। সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান। শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিকল্প সড়কটি বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারা ও চন্দনাইশের মানুষজন নিজের বাড়িতে থেকেই বাস্তবায়নাধীন চীনা অর্থনৈতিক জোনে কাজ করার সুযোগও পাবে। একই সঙ্গে কর্ণফুলী টানেল, ছয় লেনের সংযোগ সড়ক এবং কক্সবাজারমুখী এই নতুন নেটওয়ার্ক পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামে শিল্প ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন পথ উন্মোচিত হবে।”


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ