ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সৌদি আরামকো এশিয়ায় তেলের দাম ছয় বছরে সর্বনিম্নে নামাল

সৌদি আরামকো এশিয়ায় তেলের দাম ছয় বছরে সর্বনিম্নে নামাল
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

এশিয়ার বাজারে নভেম্বরে বিক্রির জন্য অপরিশোধিত তেলের দাম অপ্রত্যাশিতভাবে কমিয়েছে সৌদি আরব। নতুন নির্ধারিত দাম গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। তবে একই সময়ে উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্রেতাদের জন্য তেলের দাম বাড়িয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশটি।

সোমবার প্রকাশিত সৌদি আরামকোর মূল্য নির্ধারণী নথির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

নথি অনুযায়ী, এশিয়ার বাজারে নভেম্বর সরবরাহের জন্য সৌদি আরবের প্রধান রপ্তানি গ্রেড অ্যারাব লাইট অপরিশোধিত তেলের অফিসিয়াল সেলিং প্রাইস (ওএসপি) ওমান ও দুবাইয়ের গড় দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলার কম নির্ধারণ করা হয়েছে। অক্টোবরের তুলনায় এই ছাড় ৩ ডলার বেশি। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুনের পর এটাই এশিয়ার জন্য সৌদি তেলের সবচেয়ে বড় ছাড়।

এই সিদ্ধান্ত বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশারও বিপরীত। রয়টার্সের সাম্প্রতিক এক জরিপে মধ্যপ্রাচ্যের বেঞ্চমার্কে মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বিবেচনায় নভেম্বরের ওএসপি ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৫ ডলার বাড়তে পারে বলে ধারণা করেছিলেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

শুধু অ্যারাব লাইট নয়, এশিয়ায় বিক্রি হওয়া অ্যারাব মিডিয়াম ও অ্যারাব হেভিসহ ভারী গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের দামও নভেম্বরের জন্য ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলার কমিয়েছে সৌদি আরামকো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেল পরিবহনের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে এশিয়ার ক্রেতাদের কিছুটা সুবিধা দিতেই এই মূল্যছাড় দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। এর আগে সূত্রগুলো জানিয়েছিল, ওমান থেকে জাহাজে তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে আরামকো ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক তেল সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থায় যে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেও বাজার ধরে রাখতে সৌদি আরামকো এই কৌশল নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এশিয়ার তিনটি শোধনাগারের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রভাব কিছুটা পুষিয়ে দিতেই সৌদি আরামকো এশিয়ার জন্য তেলের ওএসপি কমিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (এলএসইজি) তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে চীনে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহনে সক্ষম একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজের টাইম-চার্টার ভাড়া গত শুক্রবার দৈনিক প্রায় ১২ লাখ ডলারে পৌঁছায়। এক বছর আগে একই ধরনের জাহাজের ভাড়া ছিল দিনে প্রায় ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সমুদ্রপথে তেল পরিবহনের ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

একটি সূত্রের মতে, সৌদি আরামকোর কমানো ওএসপি মিসরের সিদি কেরির বন্দর থেকে রপ্তানি করা সৌদি তেলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অপেক্ষার সময় এবং দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার ব্যয়ও কিছুটা компенসেট করতে পারে। ওই বন্দরে তেলবাহী কার্গো লোডিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, সেপ্টেম্বর থেকে সৌদি আরামকো হরমুজ প্রণালীর বাইরে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বিক্রি করে আসছে। এর ফলে কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে তেল পরিবহনের প্রবাহ সংঘাত শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি ফিরেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

অন্যদিকে, একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে কিছু সময়ের জন্য তেল সরবরাহ ও লোডিং কার্যক্রম স্থগিত থাকার পর দেশটি আবারও তেল বোঝাই শুরু করেছে।

তবে এশিয়ার জন্য দাম কমানোর বিপরীতে উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের বাজারে নভেম্বর সরবরাহের সব গ্রেডের সৌদি তেলের ওএসপি ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলার বাড়িয়েছে আরামকো। একইভাবে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জন্যও সব গ্রেডের তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের জন্য অবশ্য নভেম্বরের সৌদি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এশিয়ার বাজারে সৌদি তেলের মূল্য নির্ধারণে ওমান-দুবাই গড়কে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। নভেম্বরের জন্য সুপার লাইট গ্রেডের দাম অক্টোবরের তুলনায় ৩ ডলার কমিয়ে ওই বেঞ্চমার্কের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৫ ডলার কম নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত হালকা গ্রেডে ছাড় ৪ দশমিক ৫০ ডলার, লাইট গ্রেডে ৫ ডলার, মিডিয়াম গ্রেডে ৬ ডলার এবং হেভি গ্রেডে ৭ দশমিক ৩৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য রাস তানুরা থেকে সরবরাহ করা সৌদি তেলের দাম আরবিয়ান সুইট ক্রুড ইনডেক্স (ASCI)-এর ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় এবং নভেম্বরেও এসব দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের জন্য রাস তানুরা থেকে সরবরাহ করা সৌদি তেলের মূল্য আইসিই ব্রেন্টের তুলনায় নভেম্বরে সব গ্রেডেই ৩ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষেত্রেও আইসিই ব্রেন্টের বিপরীতে সব গ্রেডের দাম ৩ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে।

সৌদি আরামকোর এই মূল্য নির্ধারণ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল পরিবহন ও জাহাজ চলাচলের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে এশিয়ার বাজারে বড় ধরনের মূল্যছাড় দিয়ে ক্রেতাদের ধরে রাখার পাশাপাশি ইউরোপের বাজারে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সৌদি আরবের বাজার কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগ : তেলের দাম অপরিশোধিত তেল সৌদি আরামকো

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


সৌদি আরামকো এশিয়ায় তেলের দাম ছয় বছরে সর্বনিম্নে নামাল

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

এশিয়ার বাজারে নভেম্বরে বিক্রির জন্য অপরিশোধিত তেলের দাম অপ্রত্যাশিতভাবে কমিয়েছে সৌদি আরব। নতুন নির্ধারিত দাম গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। তবে একই সময়ে উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্রেতাদের জন্য তেলের দাম বাড়িয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশটি।

সোমবার প্রকাশিত সৌদি আরামকোর মূল্য নির্ধারণী নথির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

নথি অনুযায়ী, এশিয়ার বাজারে নভেম্বর সরবরাহের জন্য সৌদি আরবের প্রধান রপ্তানি গ্রেড অ্যারাব লাইট অপরিশোধিত তেলের অফিসিয়াল সেলিং প্রাইস (ওএসপি) ওমান ও দুবাইয়ের গড় দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলার কম নির্ধারণ করা হয়েছে। অক্টোবরের তুলনায় এই ছাড় ৩ ডলার বেশি। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুনের পর এটাই এশিয়ার জন্য সৌদি তেলের সবচেয়ে বড় ছাড়।

এই সিদ্ধান্ত বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশারও বিপরীত। রয়টার্সের সাম্প্রতিক এক জরিপে মধ্যপ্রাচ্যের বেঞ্চমার্কে মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বিবেচনায় নভেম্বরের ওএসপি ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৫ ডলার বাড়তে পারে বলে ধারণা করেছিলেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

শুধু অ্যারাব লাইট নয়, এশিয়ায় বিক্রি হওয়া অ্যারাব মিডিয়াম ও অ্যারাব হেভিসহ ভারী গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের দামও নভেম্বরের জন্য ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলার কমিয়েছে সৌদি আরামকো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেল পরিবহনের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে এশিয়ার ক্রেতাদের কিছুটা সুবিধা দিতেই এই মূল্যছাড় দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। এর আগে সূত্রগুলো জানিয়েছিল, ওমান থেকে জাহাজে তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে আরামকো ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক তেল সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থায় যে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেও বাজার ধরে রাখতে সৌদি আরামকো এই কৌশল নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এশিয়ার তিনটি শোধনাগারের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রভাব কিছুটা পুষিয়ে দিতেই সৌদি আরামকো এশিয়ার জন্য তেলের ওএসপি কমিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (এলএসইজি) তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে চীনে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহনে সক্ষম একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজের টাইম-চার্টার ভাড়া গত শুক্রবার দৈনিক প্রায় ১২ লাখ ডলারে পৌঁছায়। এক বছর আগে একই ধরনের জাহাজের ভাড়া ছিল দিনে প্রায় ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সমুদ্রপথে তেল পরিবহনের ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

একটি সূত্রের মতে, সৌদি আরামকোর কমানো ওএসপি মিসরের সিদি কেরির বন্দর থেকে রপ্তানি করা সৌদি তেলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অপেক্ষার সময় এবং দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার ব্যয়ও কিছুটা компенসেট করতে পারে। ওই বন্দরে তেলবাহী কার্গো লোডিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, সেপ্টেম্বর থেকে সৌদি আরামকো হরমুজ প্রণালীর বাইরে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বিক্রি করে আসছে। এর ফলে কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে তেল পরিবহনের প্রবাহ সংঘাত শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি ফিরেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

অন্যদিকে, একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে কিছু সময়ের জন্য তেল সরবরাহ ও লোডিং কার্যক্রম স্থগিত থাকার পর দেশটি আবারও তেল বোঝাই শুরু করেছে।

তবে এশিয়ার জন্য দাম কমানোর বিপরীতে উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের বাজারে নভেম্বর সরবরাহের সব গ্রেডের সৌদি তেলের ওএসপি ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলার বাড়িয়েছে আরামকো। একইভাবে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জন্যও সব গ্রেডের তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের জন্য অবশ্য নভেম্বরের সৌদি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এশিয়ার বাজারে সৌদি তেলের মূল্য নির্ধারণে ওমান-দুবাই গড়কে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। নভেম্বরের জন্য সুপার লাইট গ্রেডের দাম অক্টোবরের তুলনায় ৩ ডলার কমিয়ে ওই বেঞ্চমার্কের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৫ ডলার কম নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত হালকা গ্রেডে ছাড় ৪ দশমিক ৫০ ডলার, লাইট গ্রেডে ৫ ডলার, মিডিয়াম গ্রেডে ৬ ডলার এবং হেভি গ্রেডে ৭ দশমিক ৩৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য রাস তানুরা থেকে সরবরাহ করা সৌদি তেলের দাম আরবিয়ান সুইট ক্রুড ইনডেক্স (ASCI)-এর ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় এবং নভেম্বরেও এসব দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের জন্য রাস তানুরা থেকে সরবরাহ করা সৌদি তেলের মূল্য আইসিই ব্রেন্টের তুলনায় নভেম্বরে সব গ্রেডেই ৩ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষেত্রেও আইসিই ব্রেন্টের বিপরীতে সব গ্রেডের দাম ৩ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে।

সৌদি আরামকোর এই মূল্য নির্ধারণ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল পরিবহন ও জাহাজ চলাচলের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে এশিয়ার বাজারে বড় ধরনের মূল্যছাড় দিয়ে ক্রেতাদের ধরে রাখার পাশাপাশি ইউরোপের বাজারে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সৌদি আরবের বাজার কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ