ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

১৩০ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

১৩০ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। নতুন করে আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এই দম্পতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩০ বার পেছাল।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ কারণে বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে ৫ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি খুন হন। হত্যাকাণ্ডের সময় তাঁদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ বাসায় ছিল।

পরে নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। শুরুতে মামলাটির তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মামলার তদন্তভার সাবেক র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে দেওয়া হয়।

মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাঁদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। তাঁদের মধ্যে তানভীর রহমান খান ও পলাশ রুদ্র পাল জামিনে রয়েছেন। অন্যরা কারাগারে আটক রয়েছেন।

পরবর্তীতে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাবের কাছ থেকে সরিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এক আদেশে মামলাটির তদন্ত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে পরিচালনার নির্দেশ দেন। টাস্কফোর্সটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠন করার কথা বলা হয়।

এরপর গত ২৩ অক্টোবর উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকার সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। এই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধানকে।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন এখনো আদালতে দাখিল করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ বুধবারও পিবিআই প্রতিবেদন দিতে না পারায় নতুন করে আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

ট্যাগ : সাগর-রুনি হত্যা সাগর

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১৩০ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। নতুন করে আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এই দম্পতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩০ বার পেছাল।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ কারণে বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে ৫ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি খুন হন। হত্যাকাণ্ডের সময় তাঁদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ বাসায় ছিল।

পরে নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। শুরুতে মামলাটির তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মামলার তদন্তভার সাবেক র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে দেওয়া হয়।

মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাঁদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। তাঁদের মধ্যে তানভীর রহমান খান ও পলাশ রুদ্র পাল জামিনে রয়েছেন। অন্যরা কারাগারে আটক রয়েছেন।

পরবর্তীতে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাবের কাছ থেকে সরিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এক আদেশে মামলাটির তদন্ত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে পরিচালনার নির্দেশ দেন। টাস্কফোর্সটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠন করার কথা বলা হয়।

এরপর গত ২৩ অক্টোবর উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকার সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। এই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধানকে।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন এখনো আদালতে দাখিল করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ বুধবারও পিবিআই প্রতিবেদন দিতে না পারায় নতুন করে আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ