ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

চলতি বছর ইউপি নির্বাচন সম্ভব নয়, ইসিকে জানাল সরকার

চলতি বছর ইউপি নির্বাচন সম্ভব নয়, ইসিকে জানাল সরকার
ফাইল ছবি
ফলো করুন

চলতি বছর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের মতো প্রস্তুতি নেই বলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। ফলে আগামী নভেম্বরে ভোট শুরু করার যে প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল কমিশন, সেটি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষাসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান প্রস্তুতিতে নভেম্বর বা ডিসেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন। নির্বাচনের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে ঠিক কত সময় প্রয়োজন হবে, সেটি নির্ধারণ করতেও প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতিও আলোচনায় আসে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ শেষ করতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে পুলিশের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষার সূচিও ইউপি নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষাসচিব বৈঠকে জানান, বন্যার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। নির্বাচনে শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে এসব কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের একটি সম্ভাব্য সময়সূচি তৈরি করেছিল। প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণের কথা ছিল।

পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্যে আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২ এপ্রিল এবং ২৭ মে সম্ভাব্য ভোটের তারিখ হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। তবে ইসি শুরু থেকেই জানিয়েছিল, এগুলো চূড়ান্ত তফসিল নয়। আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সময়সূচি চূড়ান্ত করার কথা ছিল।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ইউপি নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময় বের করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নভেম্বর-ডিসেম্বরে বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। জানুয়ারিতে কিছু সময় পাওয়া গেলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতে রমজান এবং এরপর এসএসসি পরীক্ষা রয়েছে। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগেও কিছু সময় পাওয়া যেতে পারে।

তবে ইসি তাদের আগের সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে এসেছে কি না, এমন প্রশ্নে সানাউল্লাহ তা নাকচ করেন। তিনি জানান, আগের সময়সূচিটি ছিল প্রাথমিক ও সম্ভাব্য পরিকল্পনা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মতামত পাওয়ার পর কমিশন বিষয়টি নিয়ে আবার বৈঠক করবে।

বৈঠকে সম্ভাব্য তারিখ আগে প্রকাশ করা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার আগে সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশের বিষয়টি উত্থাপন করেন। জবাবে সিইসি জানান, সেটি ছিল কমিশনের একেবারেই প্রাথমিক চিন্তা।

অর্থ বরাদ্দের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। জনপ্রশাসন সচিব জানান, বৈঠকে অর্থসচিব উপস্থিত না থাকায় নির্বাচন আয়োজনের আর্থিক বিষয়সহ সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।

তবে কমিশনের ভেতরেও চলতি বছর নির্বাচন শুরু করার পক্ষে মত রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত দুই নির্বাচন কমিশনার এ বছরের মধ্যেই ইউপি নির্বাচন শুরু করার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, সেখানে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো দায়িত্ব পালন করবে।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত পৃথক আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বৈঠক বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবারের সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ায় নতুন করে ওই বৈঠকের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে ইসি।

সব মিলিয়ে আগামী নভেম্বরে ইউপি নির্বাচন শুরু করার প্রাথমিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও নির্বাচন কমিশন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সম্ভাব্য সময়সূচি বাতিল করেনি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রস্তুতি ও মতামত পর্যালোচনার পর কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ট্যাগ : নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চলতি বছর ইউপি নির্বাচন সম্ভব নয়, ইসিকে জানাল সরকার

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চলতি বছর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের মতো প্রস্তুতি নেই বলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। ফলে আগামী নভেম্বরে ভোট শুরু করার যে প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল কমিশন, সেটি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষাসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান প্রস্তুতিতে নভেম্বর বা ডিসেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন। নির্বাচনের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে ঠিক কত সময় প্রয়োজন হবে, সেটি নির্ধারণ করতেও প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতিও আলোচনায় আসে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ শেষ করতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে পুলিশের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষার সূচিও ইউপি নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষাসচিব বৈঠকে জানান, বন্যার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। নির্বাচনে শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে এসব কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের একটি সম্ভাব্য সময়সূচি তৈরি করেছিল। প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণের কথা ছিল।

পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্যে আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২ এপ্রিল এবং ২৭ মে সম্ভাব্য ভোটের তারিখ হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। তবে ইসি শুরু থেকেই জানিয়েছিল, এগুলো চূড়ান্ত তফসিল নয়। আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সময়সূচি চূড়ান্ত করার কথা ছিল।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ইউপি নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময় বের করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নভেম্বর-ডিসেম্বরে বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। জানুয়ারিতে কিছু সময় পাওয়া গেলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতে রমজান এবং এরপর এসএসসি পরীক্ষা রয়েছে। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগেও কিছু সময় পাওয়া যেতে পারে।

তবে ইসি তাদের আগের সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে এসেছে কি না, এমন প্রশ্নে সানাউল্লাহ তা নাকচ করেন। তিনি জানান, আগের সময়সূচিটি ছিল প্রাথমিক ও সম্ভাব্য পরিকল্পনা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মতামত পাওয়ার পর কমিশন বিষয়টি নিয়ে আবার বৈঠক করবে।

বৈঠকে সম্ভাব্য তারিখ আগে প্রকাশ করা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার আগে সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশের বিষয়টি উত্থাপন করেন। জবাবে সিইসি জানান, সেটি ছিল কমিশনের একেবারেই প্রাথমিক চিন্তা।

অর্থ বরাদ্দের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। জনপ্রশাসন সচিব জানান, বৈঠকে অর্থসচিব উপস্থিত না থাকায় নির্বাচন আয়োজনের আর্থিক বিষয়সহ সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।

তবে কমিশনের ভেতরেও চলতি বছর নির্বাচন শুরু করার পক্ষে মত রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত দুই নির্বাচন কমিশনার এ বছরের মধ্যেই ইউপি নির্বাচন শুরু করার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, সেখানে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো দায়িত্ব পালন করবে।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত পৃথক আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বৈঠক বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবারের সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ায় নতুন করে ওই বৈঠকের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে ইসি।

সব মিলিয়ে আগামী নভেম্বরে ইউপি নির্বাচন শুরু করার প্রাথমিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও নির্বাচন কমিশন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সম্ভাব্য সময়সূচি বাতিল করেনি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রস্তুতি ও মতামত পর্যালোচনার পর কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ