রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সাইবার মনিটরিং আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। তার আশা, খুব শিগগির এলাকাটির অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে।
শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাতারাতি পরিস্থিতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে যেসব এলাকায় অপরাধ বেশি সেখানে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, মোহাম্মদপুরে এসআরবি সদস্য ও কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিনই ছোট-বড় অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এসব অভিযানে বিভিন্ন সাফল্যও পাওয়া যাচ্ছে।
এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশও জানিয়েছিল, মোহাম্মদপুরের অপরাধপ্রবণ বিভিন্ন এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে একাধিক বাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও চেয়েছেন এসআরবি কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কিছু সময় ও সহযোগিতা দিলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব হবে।
এদিকে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ কার্যক্রম চলছে বলেও জানান ইন্তেখাব চৌধুরী। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও এসআরবির অভিযানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসআরবি জানিয়েছে, লুণ্ঠিত বা অবৈধ অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিলে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কৃত করার ব্যবস্থাও রয়েছে।