যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, অবমুক্ত করা ইরানি সম্পদের বড় একটি অংশ খাদ্য ও ওষুধ কেনার কাজে ব্যবহার করা হবে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এ বিষয়ে তেহরান কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরান যে অর্থ পাবে, তা প্রথমে ইরানি জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
তিনি জানান, এসব অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ সরাসরি তদারকি করবে। তহবিল বিতরণে কাতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও জানান তিনি।
বেসেন্ট বলেন, অবমুক্ত করা অর্থের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্যপণ্য ও ওষুধ কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে। তার ভাষায়, এই অর্থ আবার মার্কিন পণ্যের বাজারে ফিরে আসবে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো শর্ত মেনে নেওয়ার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, অবমুক্ত অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্ত তেহরান নিজেই নেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, অবমুক্ত ইরানি সম্পদ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের ভিন্ন বক্তব্য ভবিষ্যৎ সমঝোতা বাস্তবায়নে নতুন জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে অর্থ ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো পরিষ্কারভাবে এক হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্যসমূহ