ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সারে ভেজালের অভিযোগ

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সারে ভেজালের অভিযোগ
ফলো করুন

সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের দাবি, জৈব সারের নামে তাদের পলিথিন মেশানো মাটি ও ময়লা-আবর্জনা দেওয়া হচ্ছিল।

বুধবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে গাছের চারা ও সার বিতরণের সময় এ অভিযোগ করেন কয়েকজন কৃষক।

কৃষকরা জানান, চারা বিতরণের পাশাপাশি জৈব সার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বস্তা খুলে তারা দেখতে পান, সারের মধ্যে পলিথিন, ময়লা ও আবর্জনা মেশানো রয়েছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে অনেক কৃষক জৈব সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা ও বাঁশের খুঁটি নেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২০০ কৃষক ও ১০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে আমের ৫০০টি চারা, জলপাইয়ের ২০০টি চারা এবং নিম, ঘোড়া নিম ও মেহগনির ৮০০টি চারা। বুধবার এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবারও চারা বিতরণ কার্যক্রম চলবে।

একই অর্থবছরে লেবুর আবাদ বাড়াতে ৩০ কৃষকের মধ্যে ১৫০টি লেবুর চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলজ, বনজ ও লেবুর চারার পাশাপাশি প্রতি গাছের জন্য কৃষকদের ৩০ কেজি করে জৈব সার দেওয়ার কথা রয়েছে।

তবে বিতরণের সময় জৈব সারের বদলে পলিথিন মেশানো মাটি দেখে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

উপজেলার বাড়াকান্দি গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেনসহ কয়েকজন জানান, জৈব সারের নামে পলিথিন ও ময়লা-আবর্জনায় ভরা মাটি দেওয়া হচ্ছিল। এ কারণে অনেকেই সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, যেসব বস্তায় ভেজাল জৈব সার রয়েছে, সেগুলো বাদ দিয়ে ভালো সার নিতে কৃষকদের বলা হয়েছে। যেখান থেকে জৈব সার আনা হয়েছে, ভেজাল সার সেখানেই ফেরত পাঠানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন জানান, প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষক ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জৈব সার নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সরবরাহকারীকে ওই সার ফেরত দিয়ে নতুন করে ভালো মানের জৈব সার এনে কৃষকদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ : সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সারে ভেজালের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের দাবি, জৈব সারের নামে তাদের পলিথিন মেশানো মাটি ও ময়লা-আবর্জনা দেওয়া হচ্ছিল।

বুধবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে গাছের চারা ও সার বিতরণের সময় এ অভিযোগ করেন কয়েকজন কৃষক।

কৃষকরা জানান, চারা বিতরণের পাশাপাশি জৈব সার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বস্তা খুলে তারা দেখতে পান, সারের মধ্যে পলিথিন, ময়লা ও আবর্জনা মেশানো রয়েছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে অনেক কৃষক জৈব সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা ও বাঁশের খুঁটি নেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২০০ কৃষক ও ১০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে আমের ৫০০টি চারা, জলপাইয়ের ২০০টি চারা এবং নিম, ঘোড়া নিম ও মেহগনির ৮০০টি চারা। বুধবার এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবারও চারা বিতরণ কার্যক্রম চলবে।

একই অর্থবছরে লেবুর আবাদ বাড়াতে ৩০ কৃষকের মধ্যে ১৫০টি লেবুর চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলজ, বনজ ও লেবুর চারার পাশাপাশি প্রতি গাছের জন্য কৃষকদের ৩০ কেজি করে জৈব সার দেওয়ার কথা রয়েছে।

তবে বিতরণের সময় জৈব সারের বদলে পলিথিন মেশানো মাটি দেখে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

উপজেলার বাড়াকান্দি গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেনসহ কয়েকজন জানান, জৈব সারের নামে পলিথিন ও ময়লা-আবর্জনায় ভরা মাটি দেওয়া হচ্ছিল। এ কারণে অনেকেই সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, যেসব বস্তায় ভেজাল জৈব সার রয়েছে, সেগুলো বাদ দিয়ে ভালো সার নিতে কৃষকদের বলা হয়েছে। যেখান থেকে জৈব সার আনা হয়েছে, ভেজাল সার সেখানেই ফেরত পাঠানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন জানান, প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষক ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জৈব সার নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সরবরাহকারীকে ওই সার ফেরত দিয়ে নতুন করে ভালো মানের জৈব সার এনে কৃষকদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ