ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

পশ্চিম তীরে অগ্নিসংযোগের ৮৯ শতাংশের দায় ইসরাইলিদের: প্রতিবেদন

পশ্চিম তীরে অগ্নিসংযোগের ৮৯ শতাংশের দায় ইসরাইলিদের: প্রতিবেদন
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর, ভবন ও যানবাহনে সংঘটিত অগ্নিসংযোগের প্রায় ৮৯ শতাংশ ঘটনার জন্য ইসরাইলি দখলদারদের দায়ী করা হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের তথ্য তুলে ধরে এ দাবি করা হয়েছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন সম্পদে মোট ৯০০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯৯টি ঘটনায় সরাসরি ইসরাইলি দখলদারদের দায়ী করা হয়েছে। বাকি ১০১টি ঘটনা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিম তীরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা বেড়েছে। ২০২৩ সালে ২১৭টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৬৪টিতে এবং ২০২৫ সালে ৩০৭টিতে পৌঁছায়। ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে ১১২টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নাবলুস এবং রামাল্লাহ ও আল-বিরা অঞ্চল। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ঘটনার প্রায় ৬১ দশমিক ৩ শতাংশই এই দুই এলাকায় ঘটেছে। এর মধ্যে নাবলুসে ২৮১টি এবং রামাল্লাহ ও আল-বিরা এলাকায় ২৭১টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এসব হামলার কারণে অন্তত ১২১টি ফিলিস্তিনি জনপদ আংশিক বা পুরোপুরি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬টি এলাকা প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে ৩ হাজারের বেশি শিশুসহ ৬ হাজার ২০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশন অভিযোগ করেছে, ইসরাইলি সরকারের নীতিগত সহায়তা ও আইনি সুরক্ষার কারণে এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই বিচারের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলো থেকে অগ্নিসংযোগ, সড়ক অবরোধ এবং ফিলিস্তিনিদের জমি ও পানির উৎসে প্রবেশে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ট্যাগ : ইসরাইল ফিলিস্তিন পশ্চিম তীর অগ্নিসংযোগ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


পশ্চিম তীরে অগ্নিসংযোগের ৮৯ শতাংশের দায় ইসরাইলিদের: প্রতিবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর, ভবন ও যানবাহনে সংঘটিত অগ্নিসংযোগের প্রায় ৮৯ শতাংশ ঘটনার জন্য ইসরাইলি দখলদারদের দায়ী করা হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের তথ্য তুলে ধরে এ দাবি করা হয়েছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন সম্পদে মোট ৯০০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯৯টি ঘটনায় সরাসরি ইসরাইলি দখলদারদের দায়ী করা হয়েছে। বাকি ১০১টি ঘটনা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিম তীরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা বেড়েছে। ২০২৩ সালে ২১৭টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৬৪টিতে এবং ২০২৫ সালে ৩০৭টিতে পৌঁছায়। ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে ১১২টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নাবলুস এবং রামাল্লাহ ও আল-বিরা অঞ্চল। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ঘটনার প্রায় ৬১ দশমিক ৩ শতাংশই এই দুই এলাকায় ঘটেছে। এর মধ্যে নাবলুসে ২৮১টি এবং রামাল্লাহ ও আল-বিরা এলাকায় ২৭১টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এসব হামলার কারণে অন্তত ১২১টি ফিলিস্তিনি জনপদ আংশিক বা পুরোপুরি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬টি এলাকা প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে ৩ হাজারের বেশি শিশুসহ ৬ হাজার ২০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশন অভিযোগ করেছে, ইসরাইলি সরকারের নীতিগত সহায়তা ও আইনি সুরক্ষার কারণে এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই বিচারের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলো থেকে অগ্নিসংযোগ, সড়ক অবরোধ এবং ফিলিস্তিনিদের জমি ও পানির উৎসে প্রবেশে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ