ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মোহাম্মদপুরে বর্তমানে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই: র‌্যাব

মোহাম্মদপুরে বর্তমানে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই: র‌্যাব
ফলো করুন

মোহাম্মদপুরকে ‘গডফাদারমুক্ত’ করতে বিশেষ অভিযান চলছে। শিগগিরই পুরো এলাকা গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডমুক্ত হবে বলে আশা করছে র‌্যাব।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বর্তমানে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্যাং নির্মূল করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

তিনি জানান, মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং লিডার এলেক্স ইমন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে রিপোল ওরফে বিপুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-২। অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক এবং সাতটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, “আমরা গডফাদারদের গ্রেপ্তার করছি। আমরা খুব বেশি নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপগুলোর দিকে হাত দিচ্ছি না।”

তিনি বলেন, গডফাদারদের গ্রেপ্তারের ফলে মোহাম্মদপুর আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে। ভবিষ্যতে এলাকাটি আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নয়মুল হাসান বলেন, মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে যে হাইপ তৈরি করা হয়েছে, সেটি মূলত একটি ধারণা। র‌্যাব মোহাম্মদপুরকে সেই ধারণা থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছে এবং এরই মধ্যে অনেকটা সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, “নিকট ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী তৎপরতা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারব বলে আশা করি।”

র‌্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, মোহাম্মপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে যে অভিযান চলছে, একইভাবে পুরো রাজধানীকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এলেক্স ইমন হত্যা মামলার পেছনে কারা জড়িত, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা বলতে পারবেন। র‌্যাব মূলত তদন্তে সহায়তা করার অংশ হিসেবে গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তী সময়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া হলে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

“যেহেতু আমরা সরাসরি তদন্ত করছি না, তাই এ বিষয়ে থানা পুলিশই ভালো তথ্য দিতে পারবে,” বলেন র‌্যাব-২ অধিনায়ক।

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মোহাম্মদপুরে বর্তমানে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই: র‌্যাব

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মোহাম্মদপুরকে ‘গডফাদারমুক্ত’ করতে বিশেষ অভিযান চলছে। শিগগিরই পুরো এলাকা গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডমুক্ত হবে বলে আশা করছে র‌্যাব।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বর্তমানে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্যাং নির্মূল করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

তিনি জানান, মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং লিডার এলেক্স ইমন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে রিপোল ওরফে বিপুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-২। অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক এবং সাতটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, “আমরা গডফাদারদের গ্রেপ্তার করছি। আমরা খুব বেশি নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপগুলোর দিকে হাত দিচ্ছি না।”

তিনি বলেন, গডফাদারদের গ্রেপ্তারের ফলে মোহাম্মদপুর আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে। ভবিষ্যতে এলাকাটি আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নয়মুল হাসান বলেন, মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে যে হাইপ তৈরি করা হয়েছে, সেটি মূলত একটি ধারণা। র‌্যাব মোহাম্মদপুরকে সেই ধারণা থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছে এবং এরই মধ্যে অনেকটা সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, “নিকট ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী তৎপরতা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারব বলে আশা করি।”

র‌্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, মোহাম্মপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে যে অভিযান চলছে, একইভাবে পুরো রাজধানীকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এলেক্স ইমন হত্যা মামলার পেছনে কারা জড়িত, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা বলতে পারবেন। র‌্যাব মূলত তদন্তে সহায়তা করার অংশ হিসেবে গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তী সময়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া হলে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

“যেহেতু আমরা সরাসরি তদন্ত করছি না, তাই এ বিষয়ে থানা পুলিশই ভালো তথ্য দিতে পারবে,” বলেন র‌্যাব-২ অধিনায়ক।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ