বিদ্বেষমূলক কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে—এমন বক্তব্য ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্য বক্তব্য প্রচার বা প্রকাশে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেসব বক্তব্যে ট্রাইব্যুনালের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় কিংবা ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ায়, সেগুলো প্রচার করা যাবে না। তবে অন্য বক্তব্য প্রকাশে আইনগত বাধা নেই।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সম্ভাব্য বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বক্তব্যটি সত্যিই দেওয়া হবে নাকি এটি কেবল গুঞ্জন—তা নির্ধারিত সময়েই বোঝা যাবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্যের সত্যতা সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালের কাছে কোনো প্রমাণ নেই বলেও জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা বক্তব্য দিলেন কি না, তার সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি কোথায় বা কী বক্তব্য দেবেন, সেটিও প্রসিকিউশনের এখতিয়ারভুক্ত বিষয় নয়।
তাঁর ভাষ্য, শেখ হাসিনা দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় এখন সরকারের দায়িত্ব তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া। দেশে ফেরানো সম্ভব হলে রায় বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগোবে; তা না হলে বিলম্ব হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার ঘৃণা, বিদ্বেষ ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।