যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও বিদ্বেষ উসকে দেওয়া বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর ভিসা নীতি কার্যকরের কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
২০২৫ সালের ২৮ মে জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলাবিষয়ক একটি সম্মেলনের জন্য পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। তবে পুরোনো ওই বক্তব্যের একটি অংশ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন ঘোষণা হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে।
রুবিও বলেছিলেন, বিদেশি নাগরিকেরা যেন যুক্তরাষ্ট্রে এসে দেশটির ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দিতে না পারেন, সে জন্য একটি কঠোর ভিসা নীতি কার্যকর করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইহুদি জনগোষ্ঠীর পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।
বক্তব্যে ইহুদিবিদ্বেষ, সহিংসতা এবং চরমপন্থী প্রচারণা প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইসরায়েলবিরোধী কিছু উগ্র বক্তব্যের সঙ্গে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর প্রচারণার মিল রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ আরও সম্প্রসারণের ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ও ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানো হয়। বিশেষ করে হামাস বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রতি সমর্থন, ইহুদিবিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ড এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়গুলো যাচাইয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানায় প্রশাসন।
তবে শুধু ইসরায়েল সরকারের সমালোচনা করলেই কাউকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হবে না—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা রুবিও দেননি। ভাইরাল দাবিটি যাচাই করে ফ্যাক্ট-চেক প্রতিষ্ঠান লিড স্টোরিজ জানিয়েছে, ভিডিওতে রুবিও ইসরায়েলের সাধারণ সমালোচনা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দেওয়ার কথা বলেছেন।
সূত্র: এপির প্রতিবেদন