ঢাকা    সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মাতারবাড়ী বন্দরে সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে: নৌমন্ত্রী

মাতারবাড়ী বন্দরে সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে: নৌমন্ত্রী
শেখ রবিউল আলম | ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী পুরোপুরি চালু হলে পণ্য পরিবহন ও খালাসে ব্যয় এবং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

নৌমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি ভিড়তে পারবে। ফলে বিদেশ থেকে পণ্য আনতে সিঙ্গাপুর বা কলম্বোর মতো বন্দরে জাহাজ বদলের প্রয়োজন কমে যাবে। এতে পরিবহন খরচ ও সময় দুই-ই সাশ্রয় হবে।

লিখিত উত্তরে তিনি জানান, বর্তমানে কর্ণফুলী চ্যানেলের গভীরতা সাড়ে ৮ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। এ কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ১০ মিটার ড্রাফটের এবং প্রায় ৩ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতার জাহাজ ভিড়তে পারে।

তবে বাড়তে থাকা বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ মোকাবিলায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে ১২ থেকে ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারবে।

বন্দরের চ্যানেল ১৬ মিটার গভীর ও ৩৫০ মিটার প্রশস্ত করে নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে বন্দরটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, মাতারবাড়ী বন্দর সচল হলে প্রায় ৮ হাজার ২০০ টিইইউএস ধারণক্ষমতার কনটেইনারবাহী জাহাজ কিংবা ৩ লাখ ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার মাদার ভেসেল সরাসরি নোঙর করতে পারবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, কনটেইনার খালাস ও সরবরাহসংক্রান্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যক্রম ইতোমধ্যে ডিজিটাল করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চলাচলের পথ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বর্তমানে সরকার-টু-সরকার চুক্তির আওতায় বিদেশি পরিচালকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান নৌমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, কনটেইনার জট কমাতে বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সমুদ্র বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে এবং নীল অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে।

ট্যাগ : চট্টগ্রাম বন্দর নৌ-পরিবহনমন্ত্রী

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬


মাতারবাড়ী বন্দরে সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে: নৌমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী পুরোপুরি চালু হলে পণ্য পরিবহন ও খালাসে ব্যয় এবং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

নৌমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি ভিড়তে পারবে। ফলে বিদেশ থেকে পণ্য আনতে সিঙ্গাপুর বা কলম্বোর মতো বন্দরে জাহাজ বদলের প্রয়োজন কমে যাবে। এতে পরিবহন খরচ ও সময় দুই-ই সাশ্রয় হবে।

লিখিত উত্তরে তিনি জানান, বর্তমানে কর্ণফুলী চ্যানেলের গভীরতা সাড়ে ৮ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। এ কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ১০ মিটার ড্রাফটের এবং প্রায় ৩ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতার জাহাজ ভিড়তে পারে।

তবে বাড়তে থাকা বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ মোকাবিলায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে ১২ থেকে ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারবে।

বন্দরের চ্যানেল ১৬ মিটার গভীর ও ৩৫০ মিটার প্রশস্ত করে নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে বন্দরটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, মাতারবাড়ী বন্দর সচল হলে প্রায় ৮ হাজার ২০০ টিইইউএস ধারণক্ষমতার কনটেইনারবাহী জাহাজ কিংবা ৩ লাখ ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার মাদার ভেসেল সরাসরি নোঙর করতে পারবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, কনটেইনার খালাস ও সরবরাহসংক্রান্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যক্রম ইতোমধ্যে ডিজিটাল করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চলাচলের পথ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বর্তমানে সরকার-টু-সরকার চুক্তির আওতায় বিদেশি পরিচালকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান নৌমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, কনটেইনার জট কমাতে বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সমুদ্র বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে এবং নীল অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ