জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি।
আইআরজিসির দাবি, হামলায় ঘাঁটির কয়েকটি জ্বালানি ও অস্ত্র সংরক্ষণ স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এটি প্রথম দফার পাল্টা আক্রমণ বলে জানিয়েছে বাহিনী।
তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে হামলার লক্ষ্য হিসেবে জর্ডানের আজরাক সামরিক ঘাঁটির নাম এসেছে। ইরান ওই ঘাঁটিতে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করলেও জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ইরানের ক্ষয়ক্ষতির দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
এর আগে হরমুজ প্রণালিতে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজকে থামানোর চেষ্টা করে আইআরজিসির নৌবাহিনী। ইরানের অভিযোগ, জাহাজ দুটি অবস্থান শনাক্তকারী ব্যবস্থা বন্ধ করে তাদের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত পথের বাইরে চলাচল করছিল।
তেহরান দাবি করেছে, এসব জাহাজ আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করায় সেগুলোকে বাধা দেওয়া হয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার সক্ষমতা দুর্বল করতেই ইরানের সামরিক স্থাপনায় নতুন অভিযান চালানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল নিয়ে দুই দেশের বিরোধের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা আরও তীব্র হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্যসমূহ