ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মাঠে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে স্প্যানিশ ফুটবলারের মৃত্যু

মাঠে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে স্প্যানিশ ফুটবলারের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবল ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে মারা গেছেন সিডি টেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ফুটবলার হেসুস দে মিগেল আলামেদার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তাঁর ক্লাব টেনেরিফ।

সোমবার (২ নভেম্বর) স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে এফসি আন্দোরার মুখোমুখি হয়েছিল টেনেরিফ। ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের স্কোর ছিল ২-২।

যোগ করা সময়ে একটি লম্বা বল প্রতিহত করতে নিজের অবস্থান ছেড়ে এগিয়ে আসেন আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনো।

এ সময় বলের দখল নিতে এগিয়ে যাওয়া টেনেরিফের স্ট্রাইকার দে মিগেলের সঙ্গে তাঁর সংঘর্ষ হয়। গোলরক্ষকের হাঁটু দে মিগেলের বুকে আঘাত করে।

আঘাত পাওয়ার পরই মাঠে লুটিয়ে পড়েন ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

দে মিগেল পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই দলের ফুটবলাররা চিকিৎসাকর্মীদের মাঠে প্রবেশের আহ্বান জানান।

চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে শুরু করেন।

পাঁচ মিনিটের বেশি সময় মাঠে চিকিৎসা দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গুরুতর অবস্থায় তাঁকে টেনেরিফের লা কান্দেলারিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

সংঘর্ষের পর দে মিগেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। চিকিৎসকদের প্রচেষ্টার পরও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

টেনেরিফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় হেসুস দে মিগেল মারা যান।

ক্লাবের বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানানো হয়, এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার, সতীর্থ ও সমর্থকেরা শোকাহত।

দে মিগেলের পরিবারের পক্ষ থেকেও শোকের এই সময়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

ফুটবলারের মৃত্যুতে স্পেনজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্পেনের মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া হেসুস দে মিগেল ২০২৫ সালে কাস্তেয়ন ছেড়ে টেনেরিফে যোগ দেন।

গত মৌসুমে টেনেরিফের হয়ে ১১টি গোল করেছিলেন এই স্ট্রাইকার।

দলের আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি।

মাঠে সংঘর্ষের পর তাঁর মৃত্যুর খবরে শোক জানিয়েছে স্পেনের বিভিন্ন ফুটবল ক্লাব।

বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদও দে মিগেলের পরিবার, সতীর্থ এবং টেনেরিফ ক্লাবের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

দে মিগেলের গুরুতর আঘাতের পর টেনেরিফ ও আন্দোরার মধ্যকার ম্যাচটি স্থগিত করা হয়।

ঘটনার সময় দুই দল ২-২ গোলে সমতায় ছিল।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মঙ্গলবার নির্ধারিত ফুটবল ম্যাচগুলোও স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় স্পেনের ফুটবল ফেডারেশন।

ট্যাগ : স্প্যানিশ ফুটবলার

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


মাঠে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে স্প্যানিশ ফুটবলারের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবল ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে মারা গেছেন সিডি টেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ফুটবলার হেসুস দে মিগেল আলামেদার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তাঁর ক্লাব টেনেরিফ।

সোমবার (২ নভেম্বর) স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে এফসি আন্দোরার মুখোমুখি হয়েছিল টেনেরিফ। ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের স্কোর ছিল ২-২।

যোগ করা সময়ে একটি লম্বা বল প্রতিহত করতে নিজের অবস্থান ছেড়ে এগিয়ে আসেন আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনো।

এ সময় বলের দখল নিতে এগিয়ে যাওয়া টেনেরিফের স্ট্রাইকার দে মিগেলের সঙ্গে তাঁর সংঘর্ষ হয়। গোলরক্ষকের হাঁটু দে মিগেলের বুকে আঘাত করে।

আঘাত পাওয়ার পরই মাঠে লুটিয়ে পড়েন ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

দে মিগেল পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই দলের ফুটবলাররা চিকিৎসাকর্মীদের মাঠে প্রবেশের আহ্বান জানান।

চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে শুরু করেন।

পাঁচ মিনিটের বেশি সময় মাঠে চিকিৎসা দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গুরুতর অবস্থায় তাঁকে টেনেরিফের লা কান্দেলারিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

সংঘর্ষের পর দে মিগেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। চিকিৎসকদের প্রচেষ্টার পরও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

টেনেরিফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় হেসুস দে মিগেল মারা যান।

ক্লাবের বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানানো হয়, এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার, সতীর্থ ও সমর্থকেরা শোকাহত।

দে মিগেলের পরিবারের পক্ষ থেকেও শোকের এই সময়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

ফুটবলারের মৃত্যুতে স্পেনজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্পেনের মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া হেসুস দে মিগেল ২০২৫ সালে কাস্তেয়ন ছেড়ে টেনেরিফে যোগ দেন।

গত মৌসুমে টেনেরিফের হয়ে ১১টি গোল করেছিলেন এই স্ট্রাইকার।

দলের আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি।

মাঠে সংঘর্ষের পর তাঁর মৃত্যুর খবরে শোক জানিয়েছে স্পেনের বিভিন্ন ফুটবল ক্লাব।

বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদও দে মিগেলের পরিবার, সতীর্থ এবং টেনেরিফ ক্লাবের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

দে মিগেলের গুরুতর আঘাতের পর টেনেরিফ ও আন্দোরার মধ্যকার ম্যাচটি স্থগিত করা হয়।

ঘটনার সময় দুই দল ২-২ গোলে সমতায় ছিল।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মঙ্গলবার নির্ধারিত ফুটবল ম্যাচগুলোও স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় স্পেনের ফুটবল ফেডারেশন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ