ঢাকা    রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

রাজধানীতে ই-রিকশার জন্য ৮টি অঞ্চল নির্ধারণের ঘোষণা

রাজধানীতে ই-রিকশার জন্য ৮টি অঞ্চল নির্ধারণের ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

রাজধানী ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ই-রিকশায় দুই থেকে সর্বোচ্চ চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না এবং প্রতিটি গাড়িতে কিউআর কোডযুক্ত (QR Code) নম্বরপ্লেট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি পাঁচটির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না। এছাড়া প্রতিটি রিকশার জন্য নির্দিষ্ট গতিসীমা (স্পিড লিমিট) বেঁধে দেওয়া থাকবে। চারজন যাত্রী পরিবহনের উপযোগী রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। প্রতিবছর নির্দিষ্ট ফি দিয়ে নবায়ন সাপেক্ষে একটি রিকশা সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত রাস্তায় চালানো যাবে।

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চারটি করে মোট আটটি পৃথক অঞ্চল (জোন) নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রং। কোন অঞ্চলে কতটি করে রিকশা চলবে, তা সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত করবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনোভাবেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালনা করা যাবে না।

তিনি আরও জানান, আপাতত ই-রিকশার মোট নিবন্ধন সংখ্যায় কোনো নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হচ্ছে না। তবে নিবন্ধন পেতে হলে বর্তমানে চলাচলকারী সব রিকশাকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নিরাপত্তা নকশা অনুযায়ী রূপান্তর বা সংস্কার করতে হবে।

চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, বিধিমালায় লাইসেন্স নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হলেও এখনই তা কার্যকর করা হচ্ছে না। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক চালক লাইসেন্স নিতে গেলে সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। তাই প্রাথমিক ধাপে রিকশা নিবন্ধনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। পরবর্তীতে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করে চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে বর্তমানে রিকশার মালিকরাই চালকদের নিজস্ব পরিচয়পত্র প্রদান করবেন।

ট্যাগ : রাজধানী ই-রিকশার

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


রাজধানীতে ই-রিকশার জন্য ৮টি অঞ্চল নির্ধারণের ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানী ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ই-রিকশায় দুই থেকে সর্বোচ্চ চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না এবং প্রতিটি গাড়িতে কিউআর কোডযুক্ত (QR Code) নম্বরপ্লেট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি পাঁচটির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না। এছাড়া প্রতিটি রিকশার জন্য নির্দিষ্ট গতিসীমা (স্পিড লিমিট) বেঁধে দেওয়া থাকবে। চারজন যাত্রী পরিবহনের উপযোগী রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। প্রতিবছর নির্দিষ্ট ফি দিয়ে নবায়ন সাপেক্ষে একটি রিকশা সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত রাস্তায় চালানো যাবে।

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চারটি করে মোট আটটি পৃথক অঞ্চল (জোন) নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রং। কোন অঞ্চলে কতটি করে রিকশা চলবে, তা সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত করবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনোভাবেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালনা করা যাবে না।

তিনি আরও জানান, আপাতত ই-রিকশার মোট নিবন্ধন সংখ্যায় কোনো নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হচ্ছে না। তবে নিবন্ধন পেতে হলে বর্তমানে চলাচলকারী সব রিকশাকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নিরাপত্তা নকশা অনুযায়ী রূপান্তর বা সংস্কার করতে হবে।

চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, বিধিমালায় লাইসেন্স নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হলেও এখনই তা কার্যকর করা হচ্ছে না। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক চালক লাইসেন্স নিতে গেলে সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। তাই প্রাথমিক ধাপে রিকশা নিবন্ধনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। পরবর্তীতে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করে চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে বর্তমানে রিকশার মালিকরাই চালকদের নিজস্ব পরিচয়পত্র প্রদান করবেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ