জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণসহ সাত দফা দাবিতে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে এক হাজারের বেশি যানবাহন নিয়ে কর্মসূচির গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে।
এর আগে সকাল ৭টা থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উদ্বোধনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
লংমার্চের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকটের সমাধান এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
জোটের সূত্রে জানা গেছে, লংমার্চের গাড়িবহর মাওয়া সড়ক ব্যবহার করে পদ্মা সেতু পার হয়ে কুষ্টিয়ার দিকে এগিয়ে যাবে। যাত্রাপথের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা পথসভায় বক্তব্য দেবেন।
মন্তব্যসমূহ