বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ এবং সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে চীন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন। মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে চীনা কূটনীতিক ড. লিউ ইউইন বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সদস্যদের প্রশিক্ষণে তাঁর সরকারের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পুলিশ বাহিনীর সামগ্রিক সামর্থ্য বৃদ্ধিতেও চীনের সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রসঙ্গ উঠে আসে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন তাঁরা।
আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে দুই দেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে আসছে।
আগামী দিনে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তাঁর প্রত্যাশা, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সুসম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
বিশেষ করে বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ এবং সামর্থ্য বাড়াতে চীনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
তবে পুলিশের আধুনিকায়নে চীনের সহায়তার আওতায় নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্প, অর্থায়নের পরিমাণ কিংবা বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ঢাকায় চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্যসমূহ