ব্যবসা ও বিনিয়োগ খাতে ছয় প্রতিষ্ঠান একীভূত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের

- আপডেট: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 23
ব্যবসা ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতে ছয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান একীভূত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একীভূত হতে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা),
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা),
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা),
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ,
পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ
এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন। সংবাদ সম্মেলনে প্রেসসচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) চতুর্থ গভর্নিং বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সংবাদ সম্মেলনে আশিক বিন হারুন বলেন, বর্তমানে দেশে একাধিক বিনিয়োগ উন্নয়ন ও প্রমোশন সংস্থা রয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য জটিলতা তৈরি করে। এ কারণে আগের গভর্নিং বোর্ডে ছয়টি সংস্থাকে একীভূত করার একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। পরে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়, যেখানে উপদেষ্টাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্টরা ছিলেন।
তিনি বলেন, উপদেষ্টা কমিটি পর্যালোচনা শেষে নীতিগতভাবে একীভূতকরণের পক্ষে সুপারিশ করেছে, যা গভর্নমেন্ট লেভেলে অনুমোদন পেয়েছে।
তবে আশিক চৌধুরী জানান, একীভূতকরণ কার্যকর করার বিষয়টি পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে। একীভূতকরণ কীভাবে হবে, সে বিষয়ে একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি স্বাধীন থার্ড পার্টি কনসালট্যান্ট নিয়োগ করা হবে, যারা নতুন সংগঠন কাঠামোর নকশা তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যেন ছয়টি সংস্থার কেউই অতিরিক্ত সুবিধা বা বিশেষ আচরণ না পায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেই বাইরের একজন স্বাধীন কনসালট্যান্টের মাধ্যমে পুরো ডিজাইন করা হবে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান জানান, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভবিষ্যতে এসব সংস্থা একটি একক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেবে, যার মাধ্যমে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, অনুমোদন ও সেবা কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সমন্বিত হবে।


























