ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন: জামায়াত আমির নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার পথে মর্মান্তিক মৃত্যু জেলা বিএনপি নেতার যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে দুর্ঘটনা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে যা বললেন চরমোনাই পীর সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা নেই: ইসি নির্বাচন ঘিরে যান চলাচলে বিধি নিষেধ মোটরসাইকেল ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ ৮২ ঘণ্টা নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জামায়াত প্রার্থীর বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্ত শুরু দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদের প্রার্থিতা স্থগিতের আবেদন হাইকোর্টে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা হাসিনার আমলের নির্বাচনকে মনে করিয়ে দিচ্ছে

মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি: সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় আঘাত’

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 14

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সংগঠনটি বলছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবাদ সংগ্রহে বড় বাধা তৈরি করবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগের কথা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আধুনিক সাংবাদিকতা পুরোপুরি মোবাইল প্রযুক্তিনির্ভর। ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে বাধা দেওয়া হলে তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং অনিয়ম নথিভুক্ত করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। এতে নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছানো ব্যাহত হবে।

ডিআরইউ নেতারা মনে করেন, নির্বাচন শৃঙ্খলার অজুহাতে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা যুক্তিসংগত নয়। বরং এতে ভোটকেন্দ্রের ভেতরের পরিস্থিতি আড়াল করার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, যা জনমনে সন্দেহ ও অনাস্থা বাড়াবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং এটি নির্বাচনকে জবাবদিহিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গণমাধ্যমের উপস্থিতি ও সক্রিয়তা ছাড়া কোনো নির্বাচনই পূর্ণাঙ্গভাবে স্বচ্ছ হতে পারে না।

ডিআরইউ অভিযোগ করে, নির্বাচন কমিশনের জারি করা ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল বহন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এটি সংবিধানস্বীকৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের জানার অধিকারকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সংগঠনটি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, অবিলম্বে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বিষয়টিকে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ডিআরইউ স্পষ্ট করে জানায়, স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং পেশাগত অধিকার রক্ষায় সংগঠন সবসময় সোচ্চার থাকবে।

শেয়ার করুন

মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি: সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় আঘাত’

আপডেট: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সংগঠনটি বলছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবাদ সংগ্রহে বড় বাধা তৈরি করবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগের কথা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আধুনিক সাংবাদিকতা পুরোপুরি মোবাইল প্রযুক্তিনির্ভর। ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে বাধা দেওয়া হলে তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং অনিয়ম নথিভুক্ত করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। এতে নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছানো ব্যাহত হবে।

ডিআরইউ নেতারা মনে করেন, নির্বাচন শৃঙ্খলার অজুহাতে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা যুক্তিসংগত নয়। বরং এতে ভোটকেন্দ্রের ভেতরের পরিস্থিতি আড়াল করার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, যা জনমনে সন্দেহ ও অনাস্থা বাড়াবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং এটি নির্বাচনকে জবাবদিহিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গণমাধ্যমের উপস্থিতি ও সক্রিয়তা ছাড়া কোনো নির্বাচনই পূর্ণাঙ্গভাবে স্বচ্ছ হতে পারে না।

ডিআরইউ অভিযোগ করে, নির্বাচন কমিশনের জারি করা ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল বহন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এটি সংবিধানস্বীকৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের জানার অধিকারকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সংগঠনটি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, অবিলম্বে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বিষয়টিকে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ডিআরইউ স্পষ্ট করে জানায়, স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং পেশাগত অধিকার রক্ষায় সংগঠন সবসময় সোচ্চার থাকবে।