ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

২০৩১ সাল থেকে দেশে আসবে নতুন উড়োজাহাজ: বিমানমন্ত্রী

২০৩১ সাল থেকে দেশে আসবে নতুন উড়োজাহাজ: বিমানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

বাংলাদেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রথম পর্যায়ে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও ভবিষ্যতে দেশের বিমানবহরে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

বিমানবহর সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চাই বিমান শুধু ৩৫টা না, আমাদের ছেলেমেয়েরা যেভাবে উন্নত হচ্ছে, আমাদের ছেলেমেয়েরা যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, মেধা অনুযায়ী আমি চাই এই দেশে বিমান থাকবে ২০০টিরও বেশি।’

নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরে বিমানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পিত উড়োজাহাজগুলো দেশে পৌঁছাতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগতে পারে। ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে উড়োজাহাজ আসা শুরু হবে এবং ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে সেগুলো দেশে পৌঁছানোর প্রত্যাশা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিমানবহরে থাকা উড়োজাহাজগুলো সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয়ে পড়বে। ফলে ভবিষ্যতে যাত্রী পরিবহনের চাহিদা পূরণ এবং বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রয়োজন হবে।

এ কারণে বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নে এখন থেকেই পরিকল্পিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগকে দেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধির বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ধাপে ধাপে বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজের সক্ষমতা অর্জনের প্রত্যাশা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক আকাশপথে বাংলাদেশের যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও কথা বলেন এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি জানান, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীনের মতো দেশে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। এসব গন্তব্যে নিয়মিত বিমান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় বিমানবন্দর স্লট নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করতে হবে।

বিমান পরিবহন খাতের পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।

তিনি জানান, নেত্রকোণার বিরিশিরিকে জাতীয় পর্যায়ের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তবে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ সংগ্রহের বিষয়টি মন্ত্রীর দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাশা। প্রদত্ত প্রতিবেদনে এ সংখ্যক উড়োজাহাজ কেনার অনুমোদিত চুক্তি বা নির্দিষ্ট অর্থায়ন পরিকল্পনার তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

ট্যাগ : বিমানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


২০৩১ সাল থেকে দেশে আসবে নতুন উড়োজাহাজ: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রথম পর্যায়ে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও ভবিষ্যতে দেশের বিমানবহরে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

বিমানবহর সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চাই বিমান শুধু ৩৫টা না, আমাদের ছেলেমেয়েরা যেভাবে উন্নত হচ্ছে, আমাদের ছেলেমেয়েরা যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, মেধা অনুযায়ী আমি চাই এই দেশে বিমান থাকবে ২০০টিরও বেশি।’

নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরে বিমানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পিত উড়োজাহাজগুলো দেশে পৌঁছাতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগতে পারে। ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে উড়োজাহাজ আসা শুরু হবে এবং ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে সেগুলো দেশে পৌঁছানোর প্রত্যাশা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিমানবহরে থাকা উড়োজাহাজগুলো সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয়ে পড়বে। ফলে ভবিষ্যতে যাত্রী পরিবহনের চাহিদা পূরণ এবং বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রয়োজন হবে।

এ কারণে বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নে এখন থেকেই পরিকল্পিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগকে দেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধির বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ধাপে ধাপে বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজের সক্ষমতা অর্জনের প্রত্যাশা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক আকাশপথে বাংলাদেশের যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও কথা বলেন এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি জানান, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীনের মতো দেশে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। এসব গন্তব্যে নিয়মিত বিমান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় বিমানবন্দর স্লট নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করতে হবে।

বিমান পরিবহন খাতের পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।

তিনি জানান, নেত্রকোণার বিরিশিরিকে জাতীয় পর্যায়ের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তবে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ সংগ্রহের বিষয়টি মন্ত্রীর দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাশা। প্রদত্ত প্রতিবেদনে এ সংখ্যক উড়োজাহাজ কেনার অনুমোদিত চুক্তি বা নির্দিষ্ট অর্থায়ন পরিকল্পনার তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ