আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চলেছেন লিওনেল মেসি। বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের মধ্য দিয়ে নিজের ২০৮তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে দেশের ফুটবল ভক্তদের কাছ থেকে বিদায় নেবেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা এবং সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী এই তারকা এর আগে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।
জাতীয় দল ছাড়লেও মেসির ক্লাব ক্যারিয়ার এখনই থামছে না। ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তি ২০২৮ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত বহাল রয়েছে এবং তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকলে এই মেয়াদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি মায়ামির সঙ্গে চুক্তির অংশ হিসেবে অবসরের পর ক্লাবটির মালিকানার অংশীদার হওয়ার সুযোগও রয়েছে তার।
খেলোয়াড়ি জীবনের পর কোচিংয়ের চেয়ে ক্লাবের মালিকানাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন মেসি। এরই মধ্যে স্পেনের পঞ্চম স্তরের ক্লাব ‘ইউই কর্নেলা’ এবং দ্বিতীয় বিভাগের দল ‘সিডি এলডেন্সে’র মালিকানা কিনে তিনি সেই কার্যক্রম শুরু করেছেন। এছাড়া উরুগুয়েতে লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে যৌথভাবে ‘দেপোর্তিভো এলএসএম’ ক্লাবের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসারে তিনি ‘মেসি কাপ’ নামে অনূর্ধ্ব-১৬ একাডেমি টুর্নামেন্টেও নিয়মিত সময় ও অর্থ বিনিয়োগ করছেন।
মাঠের বাইরে মেসি গড়ে তুলেছেন এক বিশাল বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য। তার পোর্টফোলিওর মধ্যে রয়েছে নিজস্ব বিলাসবহুল ‘মিম হোটেলস’ চেইন, রোজারিওতে আবাসন প্রকল্প, জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং অ্যাডিডাস ও স্ট্যানলির মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।
মন্তব্যসমূহ