ঢাকা    সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বিপ্লব কুমারের অ্যাকাউন্টে লেনদেন ৩০ কোটি টাকা

বিপ্লব কুমারের অ্যাকাউন্টে লেনদেন ৩০ কোটি টাকা
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩৪১টি হিসাবে প্রায় ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা এবং ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমারের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ এক কোটি তিন লাখ ৬২ হাজার ৪৯৭ টাকার সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এ কারণে বিপ্লব কুমার সরকারকে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান। রোববার দুদকের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

দুদকের অভিযোগ, সরকারি চাকরিতে থাকার সময় ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের উৎস আড়াল করতে বিপ্লব কুমার নিজের এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে বিভিন্ন হিসাব ব্যবহার করেছেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো অভিযোগ ও অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ২১টি ব্যাংকে ৩২৫টি হিসাব পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তিনটি এবং সাতটি ব্রোকারেজ হাউসে ১৩টি হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে হিসাবের সংখ্যা ৩৪১টি।

এসব হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা এবং ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে দুদক। পাশাপাশি বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সম্পত্তি কেনা এবং জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ এক কোটি তিন লাখ ৬২ হাজার ৪৯৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর ভিত্তিতে তাকে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

প্রদত্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এর পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে তিনি কলকাতায় পালিয়ে গেছেন বলে জানা যায়। কলকাতায় তার একাধিক স্বজন বসবাস করেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান বর্তমানে তার ব্যাংক হিসাব, সম্পদ এবং অর্থের উৎসসংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান রয়েছে।

ট্যাগ : দুদক দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিপ্লব কুমার সরকার

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিপ্লব কুমারের অ্যাকাউন্টে লেনদেন ৩০ কোটি টাকা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩৪১টি হিসাবে প্রায় ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা এবং ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমারের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ এক কোটি তিন লাখ ৬২ হাজার ৪৯৭ টাকার সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এ কারণে বিপ্লব কুমার সরকারকে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান। রোববার দুদকের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

দুদকের অভিযোগ, সরকারি চাকরিতে থাকার সময় ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের উৎস আড়াল করতে বিপ্লব কুমার নিজের এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে বিভিন্ন হিসাব ব্যবহার করেছেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো অভিযোগ ও অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ২১টি ব্যাংকে ৩২৫টি হিসাব পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তিনটি এবং সাতটি ব্রোকারেজ হাউসে ১৩টি হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে হিসাবের সংখ্যা ৩৪১টি।

এসব হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা এবং ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে দুদক। পাশাপাশি বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সম্পত্তি কেনা এবং জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ এক কোটি তিন লাখ ৬২ হাজার ৪৯৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর ভিত্তিতে তাকে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

প্রদত্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এর পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে তিনি কলকাতায় পালিয়ে গেছেন বলে জানা যায়। কলকাতায় তার একাধিক স্বজন বসবাস করেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান বর্তমানে তার ব্যাংক হিসাব, সম্পদ এবং অর্থের উৎসসংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান রয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ