ঢাকা    শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে’ যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই হামলা চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে কথা বলার সময় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন ইরানের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত। পাহাড়টির গভীরে অত্যন্ত সুরক্ষিত দুটি সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্স রয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানের মধ্যে এই স্থাপনাটি নতুন সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে সামনে এসেছে।

সংঘাতকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে, তা নিয়েও ট্রাম্পের মন্তব্য এসেছে। এর আগের দিন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, তিনি চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করবেন না।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, অনেকেই এটিকে যুদ্ধ বলেন না। তিনি নিজেও এটিকে ‘সামরিক সংঘাত’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি বড় কোনো বিষয় নয়।

তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপও অব্যাহত রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সময়ে ওয়াশিংটন একদিকে আলোচনায় অগ্রগতির কথা বলছে, অন্যদিকে প্রয়োজন হলে আরও বড় সামরিক হামলার হুমকিও দিচ্ছে।

এ অবস্থায় পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি নতুন করে সংঘাতের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গনির্ভর এ ধরনের স্থাপনায় হামলা চালানো হলে তা ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর ওপর আরও বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কখন এবং কীভাবে ওই স্থাপনায় হামলা চালাবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের বিশেষজ্ঞ অ্যারন ডেভিড মিলারের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন একই সঙ্গে দুটি বিষয় এড়িয়ে চলতে চাইছে। একদিকে ইরানের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণে ফিরে যেতে চায় না, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে তেহরানকে বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার ধারণাও তৈরি করতে চায় না।

ফলে সামরিক চাপ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আলোচনার সম্ভাবনা, এই তিনটি পথ একসঙ্গে ধরে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন। তবে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে সম্ভাব্য হামলার হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তথ্যসূত্র: আরব নিউজ

ট্যাগ : ইরান ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে’ যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই হামলা চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে কথা বলার সময় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন ইরানের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত। পাহাড়টির গভীরে অত্যন্ত সুরক্ষিত দুটি সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্স রয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানের মধ্যে এই স্থাপনাটি নতুন সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে সামনে এসেছে।

সংঘাতকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে, তা নিয়েও ট্রাম্পের মন্তব্য এসেছে। এর আগের দিন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, তিনি চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করবেন না।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, অনেকেই এটিকে যুদ্ধ বলেন না। তিনি নিজেও এটিকে ‘সামরিক সংঘাত’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি বড় কোনো বিষয় নয়।

তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপও অব্যাহত রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সময়ে ওয়াশিংটন একদিকে আলোচনায় অগ্রগতির কথা বলছে, অন্যদিকে প্রয়োজন হলে আরও বড় সামরিক হামলার হুমকিও দিচ্ছে।

এ অবস্থায় পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি নতুন করে সংঘাতের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গনির্ভর এ ধরনের স্থাপনায় হামলা চালানো হলে তা ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর ওপর আরও বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কখন এবং কীভাবে ওই স্থাপনায় হামলা চালাবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের বিশেষজ্ঞ অ্যারন ডেভিড মিলারের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন একই সঙ্গে দুটি বিষয় এড়িয়ে চলতে চাইছে। একদিকে ইরানের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণে ফিরে যেতে চায় না, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে তেহরানকে বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার ধারণাও তৈরি করতে চায় না।

ফলে সামরিক চাপ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আলোচনার সম্ভাবনা, এই তিনটি পথ একসঙ্গে ধরে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন। তবে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে সম্ভাব্য হামলার হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তথ্যসূত্র: আরব নিউজ


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ