ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

হরমুজের সব মাইন নিষ্ক্রিয় করার দাবি ট্রাম্পের, ইরানকে নতুন হুঁশিয়ারি

হরমুজের সব মাইন নিষ্ক্রিয় করার দাবি ট্রাম্পের, ইরানকে নতুন হুঁশিয়ারি
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা সব মাইন সরিয়ে ফেলা অথবা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে নতুন করে মাইন স্থাপনের চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্ট জাহাজ বা নৌযান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন নৌবাহিনী তাকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমার সব মাইন অপসারণ অথবা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। 

ট্রাম্প বলেন, ইরানকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো জাহাজ বা নৌযান নতুন করে মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে সেটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে। হরমুজে মাইন স্থাপনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি। 

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ বাহিনীর প্রযুক্তি ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালির প্রতিটি অংশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। 

তবে হরমুজের মাইন পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও আঞ্চলিক পক্ষগুলোর বক্তব্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। একই দিনে ইরান ও ওমান প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে আলোচনা করেছে। তাদের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় সাময়িক নিরাপদ নৌপথ তৈরি এবং মাইন অপসারণের বিষয়ও রয়েছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি বিমান হামলা কমে এলেও হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা পুরোপুরি শেষ হয়নি। যুদ্ধের আগে এই প্রণালি দিয়ে দৈনিক দুই কোটির বেশি ব্যারেল তেল পরিবহন হতো। বর্তমানে তা নেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ফলে হরমুজে যেকোনো নতুন সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে হরমুজে নিরাপদ নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ইরান ও ওমান একটি ধাপে ধাপে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে সাময়িক নৌ চলাচল করিডর তৈরি এবং পরবর্তী সময়ে স্থায়ী ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার বিষয় রয়েছে। 

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ চলমান থাকায় মাইন অপসারণের দাবি আন্তর্জাতিক তেল পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স,

ট্যাগ : ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি মার্কিন নৌবাহিনী

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


হরমুজের সব মাইন নিষ্ক্রিয় করার দাবি ট্রাম্পের, ইরানকে নতুন হুঁশিয়ারি

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা সব মাইন সরিয়ে ফেলা অথবা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে নতুন করে মাইন স্থাপনের চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্ট জাহাজ বা নৌযান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন নৌবাহিনী তাকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমার সব মাইন অপসারণ অথবা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। 

ট্রাম্প বলেন, ইরানকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো জাহাজ বা নৌযান নতুন করে মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে সেটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে। হরমুজে মাইন স্থাপনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি। 

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ বাহিনীর প্রযুক্তি ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালির প্রতিটি অংশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। 

তবে হরমুজের মাইন পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও আঞ্চলিক পক্ষগুলোর বক্তব্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। একই দিনে ইরান ও ওমান প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে আলোচনা করেছে। তাদের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় সাময়িক নিরাপদ নৌপথ তৈরি এবং মাইন অপসারণের বিষয়ও রয়েছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি বিমান হামলা কমে এলেও হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা পুরোপুরি শেষ হয়নি। যুদ্ধের আগে এই প্রণালি দিয়ে দৈনিক দুই কোটির বেশি ব্যারেল তেল পরিবহন হতো। বর্তমানে তা নেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ফলে হরমুজে যেকোনো নতুন সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে হরমুজে নিরাপদ নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ইরান ও ওমান একটি ধাপে ধাপে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে সাময়িক নৌ চলাচল করিডর তৈরি এবং পরবর্তী সময়ে স্থায়ী ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার বিষয় রয়েছে। 

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ চলমান থাকায় মাইন অপসারণের দাবি আন্তর্জাতিক তেল পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স,


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ