ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জবিতে পিএইচডি-এমফিলে ১৩৬ গবেষকের আবেদন পর্যালোচনা

জবিতে পিএইচডি-এমফিলে ১৩৬ গবেষকের আবেদন পর্যালোচনা
বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ-এর ১৫তম সভা
ফলো করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পিএইচডি ও এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করা ১৩৬ জন গবেষকের আবেদন যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ’। এর মধ্যে পিএইচডি প্রোগ্রামে ৫০ জন এবং এমফিল প্রোগ্রামে ৮৬ জন ভর্তিচ্ছু গবেষক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এ বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ-এর ১৫তম সভায় এসব আবেদন পর্যালোচনা করা হয়।

জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীনের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর ভর্তিচ্ছু গবেষকদের গবেষণার বিষয় ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। এ সময় গবেষণার শিরোনাম সংশোধন, তত্ত্বাবধায়ক ও কো-তত্ত্বাবধায়ক পরিবর্তনসহ গবেষণা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতামত, সুপারিশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

অনুষদভিত্তিক আবেদনের হিসাবে, কলা অনুষদে পিএইচডিতে ৯ জন ও এমফিলে ৩১ জন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে পিএইচডিতে ১৪ জন ও এমফিলে ১০ জন, বিজ্ঞান অনুষদে পিএইচডিতে ১২ জন ও এমফিলে ২০ জন এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে পিএইচডিতে ২ জন ও এমফিলে ১১ জন আবেদন করেছেন।

এ ছাড়া আইন অনুষদে পিএইচডিতে ৪ জন ও এমফিলে ২ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদে পিএইচডিতে ৬ জন ও এমফিলে ১২ জন এবং চারুকলা অনুষদের পিএইচডি প্রোগ্রামে ৩ জন ভর্তিচ্ছু গবেষকের আবেদন সভায় উপস্থাপন করা হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন বলেন, প্রচলিত ক্যাম্পাসভিত্তিক আয়োজনের বাইরে গিয়ে এবারই প্রথম ভিন্ন আঙ্গিকে বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ-এর সভা আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীদের আরও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

এ আয়োজনের সহযোগিতার জন্য বিআইএম কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও সুন্দর, কার্যকর ও পরিকল্পিতভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে বিআইএম-এর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, জ্ঞান সৃষ্টি এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য গবেষণার পরিধি ও মান আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এ লক্ষ্যে গবেষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, গবেষণা, ছাত্রকল্যাণ, পিআরআইপি ও আইসিটি সেলের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট গবেষকদের তত্ত্বাবধায়করা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পিএইচডি বিআইএম

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


জবিতে পিএইচডি-এমফিলে ১৩৬ গবেষকের আবেদন পর্যালোচনা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পিএইচডি ও এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করা ১৩৬ জন গবেষকের আবেদন যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ’। এর মধ্যে পিএইচডি প্রোগ্রামে ৫০ জন এবং এমফিল প্রোগ্রামে ৮৬ জন ভর্তিচ্ছু গবেষক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এ বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ-এর ১৫তম সভায় এসব আবেদন পর্যালোচনা করা হয়।

জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীনের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর ভর্তিচ্ছু গবেষকদের গবেষণার বিষয় ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। এ সময় গবেষণার শিরোনাম সংশোধন, তত্ত্বাবধায়ক ও কো-তত্ত্বাবধায়ক পরিবর্তনসহ গবেষণা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতামত, সুপারিশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

অনুষদভিত্তিক আবেদনের হিসাবে, কলা অনুষদে পিএইচডিতে ৯ জন ও এমফিলে ৩১ জন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে পিএইচডিতে ১৪ জন ও এমফিলে ১০ জন, বিজ্ঞান অনুষদে পিএইচডিতে ১২ জন ও এমফিলে ২০ জন এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে পিএইচডিতে ২ জন ও এমফিলে ১১ জন আবেদন করেছেন।

এ ছাড়া আইন অনুষদে পিএইচডিতে ৪ জন ও এমফিলে ২ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদে পিএইচডিতে ৬ জন ও এমফিলে ১২ জন এবং চারুকলা অনুষদের পিএইচডি প্রোগ্রামে ৩ জন ভর্তিচ্ছু গবেষকের আবেদন সভায় উপস্থাপন করা হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন বলেন, প্রচলিত ক্যাম্পাসভিত্তিক আয়োজনের বাইরে গিয়ে এবারই প্রথম ভিন্ন আঙ্গিকে বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ-এর সভা আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীদের আরও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

এ আয়োজনের সহযোগিতার জন্য বিআইএম কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও সুন্দর, কার্যকর ও পরিকল্পিতভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে বিআইএম-এর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, জ্ঞান সৃষ্টি এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য গবেষণার পরিধি ও মান আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এ লক্ষ্যে গবেষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, গবেষণা, ছাত্রকল্যাণ, পিআরআইপি ও আইসিটি সেলের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট গবেষকদের তত্ত্বাবধায়করা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ