ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার নিয়ে চুক্তির খসড়া প্রস্তুত: তথ‍্য উপদেষ্টা

জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার নিয়ে চুক্তির খসড়া প্রস্তুত: তথ‍্য উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি কমিটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে—এমন বিষয় সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রে চীনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি দাবি করেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় চীনের তৈরি জে-১০ যুদ্ধবিমানের আঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার তথ্য এখন প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর মতে, এ ঘটনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতার প্রতি বাংলাদেশের মনোযোগ বাড়িয়েছে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত রাফালের বিরুদ্ধে জে-১০ ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরাসরি সক্ষমতার দিক থেকে ইউরোপীয় যুদ্ধবিমান যেমন রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের সঙ্গে তুলনা করা হলেও চীনের যুদ্ধবিমানগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে কম। ফলে দেশের প্রতিরক্ষা প্রয়োজন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় এ ধরনের যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা করেন। একই সঙ্গে জে-১০ যুদ্ধবিমানসহ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে সরকারের আলোচনাকে দেশের কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের আগে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব হতো না। তাঁর ভাষায়, বর্তমানে বাংলাদেশ নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। তবে ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে নিজস্ব স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগ : যুদ্ধবিমান বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার নিয়ে চুক্তির খসড়া প্রস্তুত: তথ‍্য উপদেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি কমিটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে—এমন বিষয় সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রে চীনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি দাবি করেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় চীনের তৈরি জে-১০ যুদ্ধবিমানের আঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার তথ্য এখন প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর মতে, এ ঘটনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতার প্রতি বাংলাদেশের মনোযোগ বাড়িয়েছে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত রাফালের বিরুদ্ধে জে-১০ ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরাসরি সক্ষমতার দিক থেকে ইউরোপীয় যুদ্ধবিমান যেমন রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের সঙ্গে তুলনা করা হলেও চীনের যুদ্ধবিমানগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে কম। ফলে দেশের প্রতিরক্ষা প্রয়োজন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় এ ধরনের যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা করেন। একই সঙ্গে জে-১০ যুদ্ধবিমানসহ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে সরকারের আলোচনাকে দেশের কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের আগে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব হতো না। তাঁর ভাষায়, বর্তমানে বাংলাদেশ নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। তবে ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে নিজস্ব স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ