ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

রাজধানীতে উদ্বোধন করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতি কখনও পথ হারিয়ে ফেললে এই জাদুঘর মানুষকে নতুন করে দিকনির্দেশনা দেবে। চিন্তা ও আদর্শে বিচ্যুতি এলে এখানকার সংরক্ষিত ইতিহাস থেকেই নতুন পথের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাদুঘরে সাধারণত বহু পুরোনো ইতিহাস সংরক্ষিত থাকে। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের বিশেষত্ব হলো, আন্দোলনের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট দলিল, স্মারক, নিদর্শন এবং অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার মতে, এটি ইতিহাস সংরক্ষণের একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদাহরণ।

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অনেক অংশগ্রহণকারী নিজেদের অনুভূতি, স্বপ্ন এবং আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার কারণ চিঠি ও লেখার মাধ্যমে তুলে গেছেন। এসব দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি দেশের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী এবং সাধারণ নাগরিকদের অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দর্শনার্থীরা যেন নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা লিখে রেখে যেতে পারেন, সেই সংস্কৃতি গড়ে তোলারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই জাদুঘর স্মৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা এবং অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে তিনি জাদুঘরে নির্মিত প্রতীকী কবরগুলোর বিষয়েও কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয় ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণ করা হবে, যাতে আগামী প্রজন্ম তাদের অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে

ট্যাগ : জুলাই গণঅভ্যুত্থান জুলাই স্মৃতি জাদুঘর মুহাম্মদ ইউনূস

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীতে উদ্বোধন করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতি কখনও পথ হারিয়ে ফেললে এই জাদুঘর মানুষকে নতুন করে দিকনির্দেশনা দেবে। চিন্তা ও আদর্শে বিচ্যুতি এলে এখানকার সংরক্ষিত ইতিহাস থেকেই নতুন পথের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাদুঘরে সাধারণত বহু পুরোনো ইতিহাস সংরক্ষিত থাকে। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের বিশেষত্ব হলো, আন্দোলনের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট দলিল, স্মারক, নিদর্শন এবং অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার মতে, এটি ইতিহাস সংরক্ষণের একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদাহরণ।

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অনেক অংশগ্রহণকারী নিজেদের অনুভূতি, স্বপ্ন এবং আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার কারণ চিঠি ও লেখার মাধ্যমে তুলে গেছেন। এসব দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি দেশের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী এবং সাধারণ নাগরিকদের অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দর্শনার্থীরা যেন নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা লিখে রেখে যেতে পারেন, সেই সংস্কৃতি গড়ে তোলারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই জাদুঘর স্মৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা এবং অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে তিনি জাদুঘরে নির্মিত প্রতীকী কবরগুলোর বিষয়েও কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয় ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণ করা হবে, যাতে আগামী প্রজন্ম তাদের অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ