ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সদস্য দেশগুলোতে ক্ষুদ্রঋণ চালু করতে চায় আইএসডিবি

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ইউনূস সেন্টারে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ক্ষুদ্রঋণ এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন তারা।ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদিব ইউসুফ আল আমা, আইডিবির কান্ট্রি প্রোগ্রামস বিভাগের মহাপরিচালক আনাস আসিয়ামি এবং আইটিএফসির ট্রেড ফাইন্যান্স বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আবদিহামিদ আবু।[BANGVIEWS-POST:5089]বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ, গ্রামীণ ব্যাংক, সামাজিক ব্যবসা এবং ‘তিন শূন্য’ ধারণা নিয়ে আলোচনা হয়। এই ধারণার মধ্যে রয়েছে শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ।ড. মুহাম্মদ আল জাসের জানান, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক তার সদস্য দেশগুলোতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালুর বিভিন্ন উপায় বিবেচনা করছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণের বিভিন্ন কর্মসূচি পর্যালোচনার জন্য আইডিবিকে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর আহ্বান জানান।বৈঠকে ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের জন্য আইডিবিকে ধন্যবাদ জানান অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, এই সহযোগিতা বাংলাদেশ ও আইডিবির সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে।আইডিবি চেয়ারম্যান ড. আল জাসের অধ্যাপক ইউনূসের কাজের প্রশংসা করে বলেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম শুধু চাকরিপ্রার্থী হতে চায় না, তারা উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে আগ্রহী।[BANGVIEWS-POST:5088]তিনি বলেন, তরুণদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সামাজিক সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।আলোচনায় গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা, তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, চক্ষুসেবা, নার্সিং কলেজ ও হাসপাতাল চেইনসহ বিভিন্ন সামাজিক ব্যবসার উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান প্রজন্ম ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ এবং তারা মানবিক সমস্যার সমাধানে নিজেদের সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে পারে।বৈঠকে দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে আইডিবি ও ইউনূসের অভিন্ন আগ্রহের বিষয়গুলো উঠে আসে।

বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সদস্য দেশগুলোতে ক্ষুদ্রঋণ চালু করতে চায় আইএসডিবি