সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য ও নানামুখী আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) প্রত্যুষে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরবর্তীতে সকালে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করে দিয়ে গিয়েছিলেন এবং তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত শাসনব্যবস্থার বিপরীতে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছিলেন। এ সময় ইতিহাস ও রাজনীতির নানা প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি মন্তব্য করেন যে জামায়াতে ইসলামী ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করত না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন।














মন্তব্যসমূহ