ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মোংলা বন্দর আধুনিকায়নসহ বড় প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী সিআরসিসি

মোংলা বন্দর আধুনিকায়নসহ বড় প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী সিআরসিসি
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

বাংলাদেশের বন্দর, সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন এবং বড় অবকাঠামো প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) চেয়ারম্যানের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়নে চীন সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নৌপরিবহনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

আলোচনায় মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মোংলা পোর্ট ইকোনমিক পার্ক উন্নয়ন এবং বন্দরকেন্দ্রিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়।

বৈঠকে কৌশলগত মহাসড়ক ও সেতু নির্মাণ, রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হয়।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিক করা এবং বিনিয়োগবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিআরসিসির অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।

এ কারণে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়াতে চীনা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে সিআরসিসির চেয়ারম্যান বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান।

তিনি বাংলাদেশের সড়ক, রেলওয়ে ও সামুদ্রিক অবকাঠামো খাতে সিআরসিসির বিদ্যমান কার্যক্রম তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসব খাতে বিনিয়োগ ও কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ একমত হন, বন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সহযোগিতাকে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের ভিত্তি হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।

ট্যাগ : শেখ রবিউল আলম মোংলা বন্দর সিআরসিসি চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


মোংলা বন্দর আধুনিকায়নসহ বড় প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী সিআরসিসি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের বন্দর, সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন এবং বড় অবকাঠামো প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) চেয়ারম্যানের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়নে চীন সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নৌপরিবহনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

আলোচনায় মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মোংলা পোর্ট ইকোনমিক পার্ক উন্নয়ন এবং বন্দরকেন্দ্রিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়।

বৈঠকে কৌশলগত মহাসড়ক ও সেতু নির্মাণ, রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হয়।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিক করা এবং বিনিয়োগবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিআরসিসির অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।

এ কারণে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়াতে চীনা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে সিআরসিসির চেয়ারম্যান বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান।

তিনি বাংলাদেশের সড়ক, রেলওয়ে ও সামুদ্রিক অবকাঠামো খাতে সিআরসিসির বিদ্যমান কার্যক্রম তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসব খাতে বিনিয়োগ ও কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ একমত হন, বন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সহযোগিতাকে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের ভিত্তি হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ