ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ছয় মাসে রেলওয়ের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা: রেলমন্ত্রী

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়ানো এবং পরিচালন ব্যয় কমানোর বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে গত ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২৫ কোটি টাকা বেশি আয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।রেলমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২৫ কোটি টাকা বেড়েছে। এর ফলে একই পরিমাণে লোকসানও কমেছে।তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের বার্ষিক লোকসানের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। এই আর্থিক চাপ কমাতে আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।[BANGVIEWS-POST:5518]শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের অনেক রেললাইন দীর্ঘদিন আগে, ১৯৩০, ১৯৪০ ও ১৯৭০-এর দশকে নির্মিত হয়েছিল। এসব পুরনো মিটারগেজ রেললাইনের কারণে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি পুরনো যন্ত্রপাতির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করাও অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়েছে।তিনি বলেন, রেলের পরিচালন ব্যয় কমাতে আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ পথে যাত্রী চাহিদা অনেক বেশি থাকলেও বর্তমানে ইঞ্জিন ও কোচ সংকটের কারণে ট্রেন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে এই রুটে দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করছে।তিনি জানান, নতুন ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের জন্য সরকার দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হবে।[BANGVIEWS-POST:5517]রেলমন্ত্রী আরও বলেন, কক্সবাজার রুটে বেসরকারি খাতে ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে কয়েকটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এসব প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বেসরকারি অংশগ্রহণের মাধ্যমেও এই রুটে সেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলায় রেল যোগাযোগ রয়েছে। বাকি ১৫ জেলার মধ্যে ১০ জেলায় নতুন করে রেল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ১০ জেলার মধ্যে মানিকগঞ্জসহ পাঁচটি জেলায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর জেলার ক্ষেত্রেও সমীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রেলমন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে রেল যোগাযোগ বাড়ানোকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

ছয় মাসে রেলওয়ের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা: রেলমন্ত্রী