ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরিয়া অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, সরানো হয়েছে হাজারো কুখ্যাত অপরাধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 5

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে কয়েক হাজার কুখ্যাত আইএসআইএস (দায়েশ) যোদ্ধাকে ইরাকে স্থানান্তর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৩ দিনব্যাপী এক অভিযানে ৫ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ যোদ্ধাকে ইরাকের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, গত ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই স্থানান্তর কার্যক্রম ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে শেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অভিযানের পুরো সময়জুড়ে নিরাপত্তা ও সমন্বয় বজায় রেখে ধাপে ধাপে বন্দিদের ইরাকে পাঠানো হয়েছে।

সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, আটক ব্যক্তিদের নিরাপদ কারাগারে রাখার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের হেফাজত নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, স্থল ও আকাশপথ মিলিয়ে চ্যালেঞ্জপূর্ণ এই অভিযান যৌথ বাহিনী ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি ইরাকের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন।

এই মিশনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেয় কম্বাইন্ড জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স–অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ (সিজেটিএফ-ওআইআর)। সংস্থাটির কমান্ডার মেজর জেনারেল কেভিন ল্যামবার্ট বলেন, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ এই স্থানান্তর সিরিয়ায় আইএসের পুনরুত্থান রোধে সহায়ক হবে।

২০১৪ সালে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে সেন্টকম সিজেটিএফ-ওআইআর গঠন করে। যদিও ২০১৯ সালে জঙ্গিগোষ্ঠীটি ভৌগোলিকভাবে পরাজিত হয়, তবুও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের তৎপরতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

সিরিয়া অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, সরানো হয়েছে হাজারো কুখ্যাত অপরাধী

আপডেট: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে কয়েক হাজার কুখ্যাত আইএসআইএস (দায়েশ) যোদ্ধাকে ইরাকে স্থানান্তর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৩ দিনব্যাপী এক অভিযানে ৫ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ যোদ্ধাকে ইরাকের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, গত ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই স্থানান্তর কার্যক্রম ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে শেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অভিযানের পুরো সময়জুড়ে নিরাপত্তা ও সমন্বয় বজায় রেখে ধাপে ধাপে বন্দিদের ইরাকে পাঠানো হয়েছে।

সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, আটক ব্যক্তিদের নিরাপদ কারাগারে রাখার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের হেফাজত নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, স্থল ও আকাশপথ মিলিয়ে চ্যালেঞ্জপূর্ণ এই অভিযান যৌথ বাহিনী ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি ইরাকের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন।

এই মিশনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেয় কম্বাইন্ড জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স–অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ (সিজেটিএফ-ওআইআর)। সংস্থাটির কমান্ডার মেজর জেনারেল কেভিন ল্যামবার্ট বলেন, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ এই স্থানান্তর সিরিয়ায় আইএসের পুনরুত্থান রোধে সহায়ক হবে।

২০১৪ সালে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে সেন্টকম সিজেটিএফ-ওআইআর গঠন করে। যদিও ২০১৯ সালে জঙ্গিগোষ্ঠীটি ভৌগোলিকভাবে পরাজিত হয়, তবুও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের তৎপরতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।