শতাধিক গুম-খুন মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

- আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 8
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ (রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপনের পর প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণে প্রবেশ করবে মামলাটি। এতে বিচারপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, শুনানির শুরুতেই মামলার প্রেক্ষাপট ও অভিযোগের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য দেবে। এরপর ১ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে মূল কার্যক্রম এগোবে। এ মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ারও জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি নির্দিষ্ট অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই আদেশে আজকের দিনটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারণ করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে—২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুরের পুবাইলে জিয়াউল আহসানের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার ঘটনা ঘটে। দ্বিতীয় অভিযোগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় আনা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগেও একই ধরনের আরও ৫০ জনকে হত্যার তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আদালত আমলে নেন। পরবর্তীতে ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।






























