ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিবাজ প্রভাবশালীদের প্রকাশ্যে শাস্তি: চরমোনাই পীর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের হুমকিতেও ভীত নয় ইরান: আরাগচি জামায়াতের মিছিলে যাওয়ায় শিশু সাজ্জাদকে লাথির অভিযোগ, বিএনপি কর্মী গ্রেপ্তার ফজলুর রহমান বিষ খাবেন—প্রমাণে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন: শিবির সভাপতি দুর্নীতির পুরনো চক্র ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে: মামুনুল হক জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন: নাহিদ ইসলাম সমাবেশে শিশির মনিরকে স্বর্ণের দাঁড়িপাল্লা উপহার নির্বাচনের আগের দিন জানানো হবে প্রধান উপদেষ্টার ভোটদানের স্থান-সময় বিএনপিতে যোগ দেওয়া আলোচিত যুবলীগ নেতা অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ডাকা বিক্ষোভে হাজির পাটওয়ারীই

ফেসবুকে আমিরে জামাত ড. শফিকুর রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 12

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আবেগঘন আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি তরুণদের ‘জুলাইয়ের অগ্রসেনানী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তরুণদের দৃঢ় অবস্থানই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্ধারণ করবে।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আগের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন গণতন্ত্র না ফ্যাসিবাদ, সার্বভৌমত্ব না আধিপত্য—কোন পথে বাংলাদেশ এগোবে, তা নির্ধারণ করবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশে ষড়যন্ত্র, উসকানি ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

ড. শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তন কাকতালীয়ভাবে আসে না; যুবসমাজ যখন সিদ্ধান্ত নেয়, তখনই পরিবর্তন বাস্তব হয়। তার মতে, ১২ ফেব্রুয়ারি তরুণদের সিদ্ধান্তই একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে দেবে।

ফেসবুকে দেওয়া ড. শফিকুর রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো—

“প্রিয় তরুণ বন্ধুরা,
তোমরা আমাদের জুলাইয়ের অগ্রসেনানী। তোমরা না থাকলে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নও দেখতে পারতাম না। আমার ভালোবাসা ও গভীর সম্মান তোমাদের জন্য।

যেভাবে তোমরা ৩৬শে জুলাই পর্যন্ত অবিচল ছিলে, আমার আত্মবিশ্বাস, আগামীর বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সকল পথও তোমরা রুখে দেবে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পূর্বের কোনো নির্বাচনের মত নয়। এই নির্বাচন নির্ধারণ করে দেবে, গণতন্ত্র নাকি ফ্যাসিবাদ, সার্বভৌমত্ব নাকি আধিপত্য, কী হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

ষড়যন্ত্র, ফাঁদ, উসকানি কিংবা অপপ্রচার- কোনোটিই যেন তোমাদের ভোট বাধাগ্রস্থ করতে না পারে। শান্ত থাকো, সতর্ক থাকো, লক্ষ্যপানে দৃঢ় থাকো।

মনে রেখো, সিস্টেম কাকতালীয়ভাবে বদলায় না। যুবসমাজ যখন সিদ্ধান্ত নেয়, পরিবর্তন তখনই আসে। ১২ ফেব্রুয়ারি তোমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দাও একটি নতুন বাংলাদেশের জন্য। সেটাই হবে প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশ ২.০।”

শেয়ার করুন

ফেসবুকে আমিরে জামাত ড. শফিকুর রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আবেগঘন আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি তরুণদের ‘জুলাইয়ের অগ্রসেনানী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তরুণদের দৃঢ় অবস্থানই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্ধারণ করবে।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আগের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন গণতন্ত্র না ফ্যাসিবাদ, সার্বভৌমত্ব না আধিপত্য—কোন পথে বাংলাদেশ এগোবে, তা নির্ধারণ করবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশে ষড়যন্ত্র, উসকানি ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

ড. শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তন কাকতালীয়ভাবে আসে না; যুবসমাজ যখন সিদ্ধান্ত নেয়, তখনই পরিবর্তন বাস্তব হয়। তার মতে, ১২ ফেব্রুয়ারি তরুণদের সিদ্ধান্তই একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে দেবে।

ফেসবুকে দেওয়া ড. শফিকুর রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো—

“প্রিয় তরুণ বন্ধুরা,
তোমরা আমাদের জুলাইয়ের অগ্রসেনানী। তোমরা না থাকলে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নও দেখতে পারতাম না। আমার ভালোবাসা ও গভীর সম্মান তোমাদের জন্য।

যেভাবে তোমরা ৩৬শে জুলাই পর্যন্ত অবিচল ছিলে, আমার আত্মবিশ্বাস, আগামীর বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সকল পথও তোমরা রুখে দেবে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পূর্বের কোনো নির্বাচনের মত নয়। এই নির্বাচন নির্ধারণ করে দেবে, গণতন্ত্র নাকি ফ্যাসিবাদ, সার্বভৌমত্ব নাকি আধিপত্য, কী হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

ষড়যন্ত্র, ফাঁদ, উসকানি কিংবা অপপ্রচার- কোনোটিই যেন তোমাদের ভোট বাধাগ্রস্থ করতে না পারে। শান্ত থাকো, সতর্ক থাকো, লক্ষ্যপানে দৃঢ় থাকো।

মনে রেখো, সিস্টেম কাকতালীয়ভাবে বদলায় না। যুবসমাজ যখন সিদ্ধান্ত নেয়, পরিবর্তন তখনই আসে। ১২ ফেব্রুয়ারি তোমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দাও একটি নতুন বাংলাদেশের জন্য। সেটাই হবে প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশ ২.০।”