ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিবাজ প্রভাবশালীদের প্রকাশ্যে শাস্তি: চরমোনাই পীর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের হুমকিতেও ভীত নয় ইরান: আরাগচি জামায়াতের মিছিলে যাওয়ায় শিশু সাজ্জাদকে লাথির অভিযোগ, বিএনপি কর্মী গ্রেপ্তার ফজলুর রহমান বিষ খাবেন—প্রমাণে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন: শিবির সভাপতি দুর্নীতির পুরনো চক্র ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে: মামুনুল হক জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন: নাহিদ ইসলাম সমাবেশে শিশির মনিরকে স্বর্ণের দাঁড়িপাল্লা উপহার নির্বাচনের আগের দিন জানানো হবে প্রধান উপদেষ্টার ভোটদানের স্থান-সময় বিএনপিতে যোগ দেওয়া আলোচিত যুবলীগ নেতা অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ডাকা বিক্ষোভে হাজির পাটওয়ারীই

বিশ্বকাপ বয়কটের শঙ্কা, ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনা বেড়েছে

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 20

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা ক্রমেই জোর পাচ্ছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) লাহোরে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের টসের পর পাকিস্তান দলের ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন হওয়ার কথা ছিল। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শেষ মুহূর্তে অনিবার্য কারণে এটি স্থগিত করেছে।

উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হচ্ছে সুপার সিক্স পর্বের শেষ ম্যাচে। রবিবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে দুই প্রতিবেশী দেশ সেমিফাইনালের পথ ধরার লড়াই খেলবে। পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে জিততেই হবে, পাশাপাশি রানরেটও বাড়াতে হবে। ভারতের জন্য কেবল জয়ই যথেষ্ট, তবে হারের ব্যবধান বেশি হলে তাদেরও ঝুঁকি থাকবে।

সুপার সিক্সের নিয়ম অনুযায়ী একই গ্রুপ থেকে ওঠা দলগুলোর গ্রুপ জয়পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হয়। ‘সি’ গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ড, পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ে উঠে এসেছে। ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে, পাকিস্তান ২ পয়েন্টে এবং জিম্বাবুয়ে খালি হাতে রয়েছে। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই সুপার সিক্সে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে।

গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশকে হারিয়ে সুপার সিক্সে উঠেছে ভারত। তাদের হাতে রয়েছে ৬ পয়েন্ট এবং +২.৯৭৬ রানরেট। পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে খেলতে হলে কেবল ভারতকে হারানোই যথেষ্ট নয়, রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে।

পাকিস্তান যদি আগে ব্যাট করে, ভারতের বিপক্ষে কমপক্ষে ১০৫ রান ব্যবধানে জিততে হবে। আর যদি পরে ব্যাট করে, নির্ধারিত ওভারে লক্ষ্য তাড়া করতে হবে। যদিও কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। ৪০ দিন আগে যুব এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তান ভারতকে ১৯১ রানে হারিয়েছিল, যা তাদের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

তবে যুব এশিয়া কাপ ফাইনালের পর ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলায়নি। বড়দের সংস্কৃতি রেখে যুবরাও তা অনুসরণ করছে, যা ক্রিকেটে রাজনৈতিক বিভাজনের প্রভাব স্পষ্ট করছে।

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ বয়কটের শঙ্কা, ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনা বেড়েছে

আপডেট: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা ক্রমেই জোর পাচ্ছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) লাহোরে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের টসের পর পাকিস্তান দলের ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন হওয়ার কথা ছিল। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শেষ মুহূর্তে অনিবার্য কারণে এটি স্থগিত করেছে।

উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হচ্ছে সুপার সিক্স পর্বের শেষ ম্যাচে। রবিবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে দুই প্রতিবেশী দেশ সেমিফাইনালের পথ ধরার লড়াই খেলবে। পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে জিততেই হবে, পাশাপাশি রানরেটও বাড়াতে হবে। ভারতের জন্য কেবল জয়ই যথেষ্ট, তবে হারের ব্যবধান বেশি হলে তাদেরও ঝুঁকি থাকবে।

সুপার সিক্সের নিয়ম অনুযায়ী একই গ্রুপ থেকে ওঠা দলগুলোর গ্রুপ জয়পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হয়। ‘সি’ গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ড, পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ে উঠে এসেছে। ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে, পাকিস্তান ২ পয়েন্টে এবং জিম্বাবুয়ে খালি হাতে রয়েছে। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই সুপার সিক্সে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে।

গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশকে হারিয়ে সুপার সিক্সে উঠেছে ভারত। তাদের হাতে রয়েছে ৬ পয়েন্ট এবং +২.৯৭৬ রানরেট। পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে খেলতে হলে কেবল ভারতকে হারানোই যথেষ্ট নয়, রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে।

পাকিস্তান যদি আগে ব্যাট করে, ভারতের বিপক্ষে কমপক্ষে ১০৫ রান ব্যবধানে জিততে হবে। আর যদি পরে ব্যাট করে, নির্ধারিত ওভারে লক্ষ্য তাড়া করতে হবে। যদিও কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। ৪০ দিন আগে যুব এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তান ভারতকে ১৯১ রানে হারিয়েছিল, যা তাদের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

তবে যুব এশিয়া কাপ ফাইনালের পর ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলায়নি। বড়দের সংস্কৃতি রেখে যুবরাও তা অনুসরণ করছে, যা ক্রিকেটে রাজনৈতিক বিভাজনের প্রভাব স্পষ্ট করছে।