স্বর্ণে সর্বকালের রেকর্ড, ভরি ছুঁইছুঁই তিন লাখ

- আপডেট: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / 27
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেলেও দেশের বাজারে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কিছুটা কমলেও বাংলাদেশে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে রেকর্ড দামে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নতুন করে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছে, যা কার্যকর হয়েছে সঙ্গে সঙ্গেই। এই নির্ধারিত দামেই শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ মূল্য। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। সবদিক বিবেচনায় আগের দামের তুলনায় প্রায় ১৭ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকায়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।
বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করেছে, নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। ফলে ক্রেতাদের প্রকৃত পরিশোধযোগ্য অর্থ আরও বাড়বে। তবে গহনার নকশা, কারুকাজ এবং মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কমবেশি হতে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি এসেছে। বৃহস্পতিবার প্রতি ভরিতে ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৮ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৫ হাজার ২৪৯ টাকায় বিক্রি হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দামের প্রভাব মিলিয়েই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। ফলে সামনে স্বর্ণ ও রুপার দামে আরও পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





























