ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

আট দিনের রিমান্ড শেষে এমপি গাজী নজরুল কারাগারে

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় দুই দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম ওরফে গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।এদিন রিমান্ড শেষে গাজী নজরুলকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তিনি।অন্যদিকে গাজী নজরুলের পক্ষে আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। সেখানে ফ্যানের সঙ্গে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। কক্ষ থেকে কয়েকটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।মামলা দায়েরের পর ওই রাতেই গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলাটির তদন্ত শুরু করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।তদন্তের অংশ হিসেবে দুই দফায় মোট আট দিন রিমান্ডে নিয়ে গাজী নজরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।মামলার অভিযোগগুলো এখনো বিচারাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

আট দিনের রিমান্ড শেষে এমপি গাজী নজরুল কারাগারে