টানা তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী ২৬টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন বাতিলের বিষয়টি বিবেচনায় এসেছে। এ বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সাত কর্মদিবস সময় দিয়েছে বোর্ড।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এ-সংক্রান্ত তাগিদপত্র জারি করে। এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ব্যাখ্যা দেয়নি, তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে হবে।
বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরপর তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে তার পাঠদানের অনুমোদন বাতিল করা যেতে পারে। এ শর্তের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য ‘পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০’-এর ৫.৪ বিধিতে অনুমোদন বাতিলের বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি এবং পাঠদানের অনুমোদনের সময় আরোপিত অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।
বোর্ডের নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, টানা তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করাসহ পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল। জবাব দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয় ১ অক্টোবর।
এরপর গত ৪ অক্টোবর বোর্ডের ওয়েবসাইটে দ্বিতীয় দফায় নোটিশ দেওয়া হয়। সেখানে সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান কোনো জবাব দেয়নি। এ কারণে সেসব প্রতিষ্ঠানকে আবারও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ