ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া নয়তো মাদক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া নয়তো মাদক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া কিংবা মাদকের কোনো না কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিশেষ করে যুবসমাজের অপরাধ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে মাদকাসক্তি অপরাধের পেছনের কারণ এবং মাদক কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতেই অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। জুয়াতেও আসক্তি নানা অপরাধের পেছনে ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, শুধু অপরাধ সংঘটনের পর অপরাধী গ্রেপ্তার, বিচার ও সাজা দিলে অপরাধ দমন সম্ভব নয়; অপরাধ কেন হচ্ছে তার সামাজিক কারণ বিশ্লেষণ ও গবেষণা প্রয়োজন। অপরাধকে জ্বরের মতো উপসর্গ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধান করলে অপরাধের হার কমানো সম্ভব।

র্যাবের বিশ্লেষণ অনুযায়ী বেশ কিছু গুরুতর অপরাধের পিছনে মাদক ও জুয়ার সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তরা মাদকাসক্ত ছিল। কেউ নেশার কারণে অপরাধ করেছে, আবার কেউ নেশার সামগ্রী কেনার অর্থ জোগাড় করতে অপরাধে জড়িয়েছে। অপরাধীরা মাদক ও জুয়ার অর্থের জন্য আরও নানা অপরাধ করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদক ও জুয়ার নিয়ন্ত্রণ এলে সমাজে অপরাধের হার কমবে, তাই অপরাধের মূল কারণ নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ জরুরি।

ডিজিটালাইজেশনের কারণে অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। এখন সাইবার স্পেসে মাদক, জুয়া, ব্ল্যাকমেলসহ বিভিন্ন অপরাধ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব শনাক্তের জন্য শুধু ঘটনা স্থান নয়, টেলিফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব তথ্য আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

যদিও অপরাধের ধরন বদলেছে, পুলিশ পুরোপুরি আধুনিকায়ন করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এ জন্য সরকার শিগগিরই সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, এপিবিএন, প্রত্যেক ডিভিশনের সদর দফতরে আধুনিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট ও ল্যাব স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। জেলা, থানা ও উপজেলা পর্যায়েও সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তারা কাজ করবেন।

মাদক শনাক্তকরণ ও পরীক্ষা জন্য জেলা পর্যায়ে ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডগ স্কোয়াড ও ফরেনসিক ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির ব্যবস্থাও করা হচ্ছে যা মাদক, সাইবার ও অন্যান্য অপরাধ তদন্তে সক্ষমতা বাড়াবে।

বর্তমানে অনেক অপরাধ ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইমের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে স্ক্যাম ও সাইবার অপরাধে একাধিক দেশের অপরাধী চক্র জড়িত থাকে। বিভিন্ন দেশে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেলিংসহ নানা সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব মোকাবিলায় দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জরুরি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপরাধ বিষয়ক রিপোর্টারদের ভূমিকা গুরুত্বারোপ করে বলেন, ক্রাইম রিপোর্টিং একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যার জন্য গভীর পড়াশোনা ও অনুসন্ধান প্রয়োজন হয়। বিশেষত ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম ও সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও কর্মকর্তার সঙ্গে তথ্য বিনিময় দরকার।

ক্রাইম রিপোর্টারদের ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঝুঁকি ভাতা সাধারণত সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও সামরিক সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। তবে সাংবাদিকরা যদি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে আহত হন, তাদের জন্য সহযোগিতা কতুশল করা হবে। সরকারি বা করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) প্রকল্পের মাধ্যমে এ ধরনের সহায়তার সুযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য ক্রাইম রিপোর্টারদের সনদ প্রদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

আইন সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, অপরাধের ধরন ও সামাজিক পরিবেশ বদলানোর কারণে পুরনো আইনের মাধ্যমে নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়েছে; তাই আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

অনলাইন জুয়া মোকাবিলার উদাহরণ দিয়ে বলেন, পুরোনো জুয়া প্রতিরোধ আইন দিয়ে সাইবার স্পেসভিত্তিক জুয়া দমন করা যাচ্ছিল না, এজন্য আধুনিক আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সাইবার স্পেসে জুয়া, ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম ও ফিক্সিংসহ বিভিন্ন অপরাধ সংজ্ঞায়িত ও শাস্তির বিধান আছে।

তিনি সামাজিক সচেতনতার ওপরও জোর দেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাজে সচেতনতা তৈরি ও নতুন আইনে অপরাধ ও শাস্তি সম্পর্কে মানুষের জানানো গুরুত্বপূর্ণ। আইন, বিচারব্যবস্থা, সাংবাদিকতা ও সামাজিক সচেতনতার সমন্বয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

অ্যাসিড-সন্ত্রাসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সাংবাদিকদের ভূমিকার কারণে এই অপরাধ প্রায় বিলুপ্তির পর্যায়ে এসেছে। একইভাবে অন্যান্য অপরাধও নির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করে কমানো সম্ভব।

অবিভক্ত ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ।

ট্যাগ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া নয়তো মাদক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া কিংবা মাদকের কোনো না কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিশেষ করে যুবসমাজের অপরাধ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে মাদকাসক্তি অপরাধের পেছনের কারণ এবং মাদক কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতেই অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। জুয়াতেও আসক্তি নানা অপরাধের পেছনে ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, শুধু অপরাধ সংঘটনের পর অপরাধী গ্রেপ্তার, বিচার ও সাজা দিলে অপরাধ দমন সম্ভব নয়; অপরাধ কেন হচ্ছে তার সামাজিক কারণ বিশ্লেষণ ও গবেষণা প্রয়োজন। অপরাধকে জ্বরের মতো উপসর্গ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধান করলে অপরাধের হার কমানো সম্ভব।

র্যাবের বিশ্লেষণ অনুযায়ী বেশ কিছু গুরুতর অপরাধের পিছনে মাদক ও জুয়ার সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তরা মাদকাসক্ত ছিল। কেউ নেশার কারণে অপরাধ করেছে, আবার কেউ নেশার সামগ্রী কেনার অর্থ জোগাড় করতে অপরাধে জড়িয়েছে। অপরাধীরা মাদক ও জুয়ার অর্থের জন্য আরও নানা অপরাধ করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদক ও জুয়ার নিয়ন্ত্রণ এলে সমাজে অপরাধের হার কমবে, তাই অপরাধের মূল কারণ নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ জরুরি।

ডিজিটালাইজেশনের কারণে অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। এখন সাইবার স্পেসে মাদক, জুয়া, ব্ল্যাকমেলসহ বিভিন্ন অপরাধ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব শনাক্তের জন্য শুধু ঘটনা স্থান নয়, টেলিফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব তথ্য আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

যদিও অপরাধের ধরন বদলেছে, পুলিশ পুরোপুরি আধুনিকায়ন করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এ জন্য সরকার শিগগিরই সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, এপিবিএন, প্রত্যেক ডিভিশনের সদর দফতরে আধুনিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট ও ল্যাব স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। জেলা, থানা ও উপজেলা পর্যায়েও সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তারা কাজ করবেন।

মাদক শনাক্তকরণ ও পরীক্ষা জন্য জেলা পর্যায়ে ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডগ স্কোয়াড ও ফরেনসিক ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির ব্যবস্থাও করা হচ্ছে যা মাদক, সাইবার ও অন্যান্য অপরাধ তদন্তে সক্ষমতা বাড়াবে।

বর্তমানে অনেক অপরাধ ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইমের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে স্ক্যাম ও সাইবার অপরাধে একাধিক দেশের অপরাধী চক্র জড়িত থাকে। বিভিন্ন দেশে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেলিংসহ নানা সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব মোকাবিলায় দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জরুরি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপরাধ বিষয়ক রিপোর্টারদের ভূমিকা গুরুত্বারোপ করে বলেন, ক্রাইম রিপোর্টিং একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যার জন্য গভীর পড়াশোনা ও অনুসন্ধান প্রয়োজন হয়। বিশেষত ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম ও সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও কর্মকর্তার সঙ্গে তথ্য বিনিময় দরকার।

ক্রাইম রিপোর্টারদের ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঝুঁকি ভাতা সাধারণত সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও সামরিক সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। তবে সাংবাদিকরা যদি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে আহত হন, তাদের জন্য সহযোগিতা কতুশল করা হবে। সরকারি বা করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) প্রকল্পের মাধ্যমে এ ধরনের সহায়তার সুযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য ক্রাইম রিপোর্টারদের সনদ প্রদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

আইন সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, অপরাধের ধরন ও সামাজিক পরিবেশ বদলানোর কারণে পুরনো আইনের মাধ্যমে নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়েছে; তাই আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

অনলাইন জুয়া মোকাবিলার উদাহরণ দিয়ে বলেন, পুরোনো জুয়া প্রতিরোধ আইন দিয়ে সাইবার স্পেসভিত্তিক জুয়া দমন করা যাচ্ছিল না, এজন্য আধুনিক আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সাইবার স্পেসে জুয়া, ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম ও ফিক্সিংসহ বিভিন্ন অপরাধ সংজ্ঞায়িত ও শাস্তির বিধান আছে।

তিনি সামাজিক সচেতনতার ওপরও জোর দেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাজে সচেতনতা তৈরি ও নতুন আইনে অপরাধ ও শাস্তি সম্পর্কে মানুষের জানানো গুরুত্বপূর্ণ। আইন, বিচারব্যবস্থা, সাংবাদিকতা ও সামাজিক সচেতনতার সমন্বয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

অ্যাসিড-সন্ত্রাসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সাংবাদিকদের ভূমিকার কারণে এই অপরাধ প্রায় বিলুপ্তির পর্যায়ে এসেছে। একইভাবে অন্যান্য অপরাধও নির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করে কমানো সম্ভব।

অবিভক্ত ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ