আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত নয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ব্রিফিংয়ে জানান, এই মুহূর্তে বাংলাদেশি প্রতিনিধিত্ব নিয়ে তাদের কাছে পরিষ্কার কোনো তথ্য নেই।
ব্রিকস সম্মেলনের (১২-১৩ সেপ্টেম্বর) আগে যে কোনও প্রাসঙ্গিক তথ্য তারা এখনও জানে না বলে ভারত সরকার জানিয়েছে। এ ছাড়া, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন বা তার উদ্বেগের বিষয়ে ভারত কোনও অবগতিও পায়নি।
গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরই ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এছাড়াও বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে সেপ্টেম্বরে নয়া দিল্লিতে ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তবে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর ঢাকা ক্ষুব্ধ হয়ে দুটি শর্ত তুলে ধরেছিল তারেক রহমানের সফরের আগে। ঢাকার দাবি ছিল, তারেক রহমানের সফরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা।
সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এই সফর সংক্রান্ত আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিক কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও উল্লেখ করেছেন, সফরের সিদ্ধান্ত মূলত তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে।
পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জয়সোয়াল পুনর্নিশ্চিত করেছেন যে, এই বিষয়ে এখনও ভারতের তরফ থেকে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই এবং শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারগুলি সম্পর্কিত কোনও মন্তব্য করতেও তারা প্রস্তুত নয়।