ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

আরও বোয়িং কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় হবে কয়েক বিলিয়ন ডলার

আরও বোয়িং কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় হবে কয়েক বিলিয়ন ডলার
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে হওয়া নতুন এই সমঝোতাকে ‘অসাধারণ চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। 

রোববার (৩০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গোর বলেন, চলতি সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আরেকটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা দেশটির প্রাথমিক ক্রয়াদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। 

তবে নতুন করে ঠিক কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, কোন কোন মডেল থাকবে কিংবা বর্ধিত ক্রয়াদেশের মোট মূল্য কত হবে—এসব বিষয়ে সার্জিও গোর বিস্তারিত জানাননি। নতুন প্রতিশ্রুতিটি ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক ক্রয়চুক্তিতে রূপ নিয়েছে কি না, সেটিও তার বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়নি। বাংলাদেশ সরকার বা বোয়িংয়ের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে বর্ধিত ক্রয়াদেশের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। 

বাংলাদেশ এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে। ওই উড়োজাহাজগুলোর তালিকামূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে দ্য ডেইলি স্টার। নতুন ঘোষণায় আগের সেই ক্রয়াদেশ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। 

বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন বোয়িং সমঝোতার প্রসঙ্গটি সার্জিও গোর তুলে ধরেন মূলত ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রশংসা করতে গিয়ে। তিনি ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেন। গোরের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্চ বেতনের লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিপুল বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে ট্রাম্প কাজ করছেন। এগুলো গোরের রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও দাবি, স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক তথ্য হিসেবে নয়।

সার্জিও গোর গত ৩০ জুলাই তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে। তবে সে সময় প্রকাশিত সরকারি তথ্যে নতুন বোয়িং চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। 

নতুন ঘোষণায় বাংলাদেশের আগের বোয়িং ক্রয়াদেশ কতটি বাড়ছে, কী ধরনের উড়োজাহাজ কেনা হবে এবং কবে সেগুলো সরবরাহ করা হবে—এখন নজর থাকবে এসব বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দিকে।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

ট্যাগ : বাংলাদেশ তারেক রহমান বিমান বাংলাদেশ বোয়িং

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


আরও বোয়িং কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় হবে কয়েক বিলিয়ন ডলার

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে হওয়া নতুন এই সমঝোতাকে ‘অসাধারণ চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। 

রোববার (৩০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গোর বলেন, চলতি সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আরেকটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা দেশটির প্রাথমিক ক্রয়াদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। 

তবে নতুন করে ঠিক কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, কোন কোন মডেল থাকবে কিংবা বর্ধিত ক্রয়াদেশের মোট মূল্য কত হবে—এসব বিষয়ে সার্জিও গোর বিস্তারিত জানাননি। নতুন প্রতিশ্রুতিটি ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক ক্রয়চুক্তিতে রূপ নিয়েছে কি না, সেটিও তার বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়নি। বাংলাদেশ সরকার বা বোয়িংয়ের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে বর্ধিত ক্রয়াদেশের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। 

বাংলাদেশ এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে। ওই উড়োজাহাজগুলোর তালিকামূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে দ্য ডেইলি স্টার। নতুন ঘোষণায় আগের সেই ক্রয়াদেশ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। 

বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন বোয়িং সমঝোতার প্রসঙ্গটি সার্জিও গোর তুলে ধরেন মূলত ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রশংসা করতে গিয়ে। তিনি ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেন। গোরের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্চ বেতনের লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিপুল বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে ট্রাম্প কাজ করছেন। এগুলো গোরের রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও দাবি, স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক তথ্য হিসেবে নয়।

সার্জিও গোর গত ৩০ জুলাই তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে। তবে সে সময় প্রকাশিত সরকারি তথ্যে নতুন বোয়িং চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। 

নতুন ঘোষণায় বাংলাদেশের আগের বোয়িং ক্রয়াদেশ কতটি বাড়ছে, কী ধরনের উড়োজাহাজ কেনা হবে এবং কবে সেগুলো সরবরাহ করা হবে—এখন নজর থাকবে এসব বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দিকে।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ