ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

রোহিঙ্গাদের নামে ভুয়া জন্মসনদ, সাবেক ইউপি সচিবের কারাদণ্ড

রোহিঙ্গাদের নামে ভুয়া জন্মসনদ, সাবেক ইউপি সচিবের কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মো. নূরুল আলমকে অস্তিত্বহীন চার ব্যক্তির নামে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার দায়ে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি নূরুল আলমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, নূরুল আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে ছৈয়দ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুস, শামসুন্নাহার ও রহিম উল্লাহ নামে চার অস্তিত্বহীন ব্যক্তির জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করেন। পরে এসব সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরির চেষ্টা করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ২০২২ সালের ৩০ মার্চ নূরুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় তাকে সাজা দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম এবং পেকুয়া উপজেলার তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৌভ্রাত দাশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র: কালবেলা

ট্যাগ : কক্সবাজার চকরিয়া জন্মনিবন্ধন

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রোহিঙ্গাদের নামে ভুয়া জন্মসনদ, সাবেক ইউপি সচিবের কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মো. নূরুল আলমকে অস্তিত্বহীন চার ব্যক্তির নামে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার দায়ে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি নূরুল আলমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, নূরুল আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে ছৈয়দ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুস, শামসুন্নাহার ও রহিম উল্লাহ নামে চার অস্তিত্বহীন ব্যক্তির জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করেন। পরে এসব সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরির চেষ্টা করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ২০২২ সালের ৩০ মার্চ নূরুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় তাকে সাজা দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম এবং পেকুয়া উপজেলার তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৌভ্রাত দাশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র: কালবেলা


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ