ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর সংবাদ বিদেশভিত্তিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সম্ভাব্য জনঅস্থিরতার আশঙ্কায় দ্রুত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিল তেহরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এ তথ্য জানিয়েছেন।
গালিবাফের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল পরদিন সকাল ৮টায় খামেনির মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ গঠনের ঘোষণাও দেওয়ার কথা ছিল।
তবে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিদেশভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেলগুলো খামেনির মৃত্যুর খবর প্রচার শুরু করে। এরপর রাত ১টার দিকে গালিবাফ ও তৎকালীন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি পুনরায় যোগাযোগ করে আগের পরিকল্পনা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।
গালিবাফ বলেন, দ্রুত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলে দেশের পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করেছিল। এ কারণে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকার-সমর্থকদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানানো হয়।
ইরানের কর্মকর্তারা ‘বিদেশি গণমাধ্যম’ বলতে সাধারণত দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত ফারসি ভাষার সংবাদমাধ্যমগুলোকে বোঝান। ইরান ইন্টারন্যাশনালের দাবি, খামেনির মৃত্যুর খবর তারাই প্রথম প্রকাশ করেছিল।
তবে গালিবাফের বক্তব্য থেকে কর্তৃপক্ষ স্থায়ীভাবে খবরটি গোপন করতে চেয়েছিল—এমনটি নিশ্চিত হওয়া যায় না; বরং আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটি কয়েক ঘণ্টা বিলম্বিত করার পরিকল্পনার কথা জানা যায়।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল