ঢাকা    মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় রিজেন্টের চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় রিজেন্টের চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

করোনাভাইরাস মহামারির সময় নমুনা পরীক্ষা ও সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পল্লবী থানা-পুলিশের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে বিষয়টি জানিয়েছে। সাহেদকে পল্লবী থানায় নেওয়ার পর মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলেও জানান ওসি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন সাহেদ। প্রতারণা ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। সেসব মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২০ সালের জুলাইয়ে সাহেদের নাম ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। ওই বছরের ৬ জুলাই র‍্যাব রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায়। অভিযানে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়ার কথা জানায় সংস্থাটি। পরে সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

মামলার পর আত্মগোপনে চলে যান সাহেদ। ২০২০ সালের ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাঁকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানায় সংস্থাটি। ওই অস্ত্র মামলায় একই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর বিচারিক আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত ওই মামলা থেকে তাঁকে খালাস দেন।

এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট সাহেদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। পুরোনো একটি চেক-সংক্রান্ত মামলায়ও তাঁর ছয় মাসের সাজা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনেও মামলা রয়েছে। ওই মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রতিবেদনে প্রতারণার মাধ্যমে ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

সোমবারের গ্রেপ্তারের পেছনে থাকা সিআর মামলাটি চেক-সংক্রান্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে পুলিশ এখনো মামলাটির বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

ট্যাগ : মোহাম্মদ সাহেদ সাহেদ করিম রিজেন্ট হাসপাতাল

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় রিজেন্টের চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

করোনাভাইরাস মহামারির সময় নমুনা পরীক্ষা ও সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পল্লবী থানা-পুলিশের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে বিষয়টি জানিয়েছে। সাহেদকে পল্লবী থানায় নেওয়ার পর মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলেও জানান ওসি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন সাহেদ। প্রতারণা ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। সেসব মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২০ সালের জুলাইয়ে সাহেদের নাম ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। ওই বছরের ৬ জুলাই র‍্যাব রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায়। অভিযানে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়ার কথা জানায় সংস্থাটি। পরে সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

মামলার পর আত্মগোপনে চলে যান সাহেদ। ২০২০ সালের ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাঁকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানায় সংস্থাটি। ওই অস্ত্র মামলায় একই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর বিচারিক আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত ওই মামলা থেকে তাঁকে খালাস দেন।

এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট সাহেদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। পুরোনো একটি চেক-সংক্রান্ত মামলায়ও তাঁর ছয় মাসের সাজা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনেও মামলা রয়েছে। ওই মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রতিবেদনে প্রতারণার মাধ্যমে ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

সোমবারের গ্রেপ্তারের পেছনে থাকা সিআর মামলাটি চেক-সংক্রান্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে পুলিশ এখনো মামলাটির বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ