ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সৌদি–তুরস্ক–পাকিস্তানের জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে ইরান—দাবি কর্মকর্তার

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের নতুন ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে ইরান। ইরানের পার্লামেন্ট-সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা খানেহ মেল্লাতের প্রধান মেহদি রহিমি এ দাবি করেছেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা চুক্তির তিন সদস্য দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়েদিনকে রহিমি বলেন, ইরান মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে এবং বিষয়টি এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইরান দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলে আসায় তিনি এই প্রবণতাকে তেহরানের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। [BANGVIEWS-POST:4349]গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেন। সৌদি সরকারের প্রকাশিত যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, চুক্তির মূল লক্ষ্য তিন দেশের যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। [BANGVIEWS-POST:4348]তুরস্ক ইতোমধ্যে স্পষ্ট করেছে, এই চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে তৈরি হয়নি এবং এটি ন্যাটোর বিকল্পও নয়। আঙ্কারার ভাষ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখা এবং তিন দেশের সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোই এর উদ্দেশ্য। ইরানও চুক্তিটি নিয়ে এখন পর্যন্ত সতর্ক কিন্তু ইতিবাচক অবস্থান দেখিয়েছে। গত ১০ আগস্ট ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, এই চুক্তি নিয়ে তেহরানের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তার মতে, আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজেদের নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই উদ্যোগ। 

সৌদি–তুরস্ক–পাকিস্তানের জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে ইরান—দাবি কর্মকর্তার