ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

খামেনির নির্দেশেই হয়েছিল হরমুজ প্রণালি বন্ধের পরিকল্পনা

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরানের বর্তমান সামরিক কৌশল বহু বছর আগে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নির্দেশনায় তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইয়াহইয়া রহিম সাফাভি।ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাফাভি বলেন, প্রতিরক্ষা কৌশল নির্ধারণে খামেনি দূরদর্শী ভূমিকা রেখেছেন এবং দেশের সামরিক নীতিমালা প্রণয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।[BANGVIEWS-POST:1823]সাফাভির দাবি, ২০১১ সালে খামেনি তাকে এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালি বন্ধের একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ১৫ পৃষ্ঠার একটি সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।তিনি বলেন, ওই পরিকল্পনায় শুধু হরমুজ নয়, পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর, লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।সাফাভির ভাষ্য অনুযায়ী, পরে পরিকল্পনাটি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের কাছে পাঠানো হয়। বর্তমানে হরমুজ ঘিরে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তার ভিত্তি ওই পুরোনো কৌশলের মধ্যেই রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।[BANGVIEWS-POST:1820]ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়েও খামেনির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন সাফাভি। তিনি দাবি করেন, ১৯৯৭ সালে আইআরজিসির কমান্ডার থাকার সময় তাকে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।সাফাভির দাবি, সে সময় ইরানের কাছে প্রায় দুই হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। তবে খামেনি এমন সক্ষমতা তৈরির নির্দেশ দেন, যা দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক অভিযান চালাতে সক্ষম হবে।সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে হরমুজ প্রণালি। ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও সেখানে নৌ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলছে।হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হওয়ায় এ অঞ্চলের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: তাসনিম নিউজ

খামেনির নির্দেশেই হয়েছিল হরমুজ প্রণালি বন্ধের পরিকল্পনা