সৌদি আরবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় (নন-ইমার্জেন্সি) কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে সৌদি আরব ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের উত্তাপে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার ঝুঁকিতে থাকা উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকেও কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে।
এদিকে বুধবার সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সীমান্তসংলগ্ন কৌশলগত শায়বাহ তেলক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে চালানো একটি ড্রোন আকাশেই প্রতিহত করে সৌদি সামরিক বাহিনী। তবে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ সরাসরি তেল স্থাপনায় পড়লে ঘটনাস্থলেই দুই বিদেশি কর্মী নিহত হন এবং আরও দুজন আহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন ফিলিপাইন এবং অপরজন নেপালের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়।
এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোট জানায়, তারা বুধবার সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা অন্তত ছয়টি হুথি ড্রোন মাঝআকাশেই ধ্বংস করেছে। চলতি মাসে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বড় ধরনের হামলাসহ সৌদি ভূখণ্ডে প্রায় প্রতিদিনই হানা দিচ্ছে হুথিরা। আকাশপথ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় এমন লাগাতার হামলার মুখে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন কূটনৈতিক উপস্থিতির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্যসমূহ