ঢাকা    সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

২০২৭ থেকে সরকারি প্রাথমিকের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে একবেলা পুষ্টিকর খাবার

২০২৭ থেকে সরকারি প্রাথমিকের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে একবেলা পুষ্টিকর খাবার
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

২০২৭ সাল থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন একবেলা পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে নিয়ে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আগামী বছর সারাদেশে কর্মসূচিটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের আওতাধীন ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির শুরুতে খাবার সরবরাহ ও মান নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে বর্তমানে সেসব সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়েছে। নিয়মিত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো বিদ্যালয়ে অপরিপক্ব কলা বা নিম্নমানের খাবার পৌঁছালে তা গ্রহণ না করে সরবরাহকারীকে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পচা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর টেন্ডার বা সরবরাহ আদেশ বাতিল করা হতে পারে। গত দুই থেকে আড়াই মাসে নতুন নীতিমালার আওতায় পাইলট প্রকল্পে ভুলের হার প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, আগের সময়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় ভবনের যে নকশা করা হয়েছিল, তাতে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো পরিকল্পনায় মান, নিরাপত্তা এবং বাস্তব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

খুলনার মুহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন, খেলার মাঠ ও শিক্ষক সংকট নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যালয়টিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কেন হচ্ছে না, সে বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

দেশব্যাপী শিক্ষক সংকটের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের শ্রেণিকক্ষে যোগদানের লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে অধিকাংশ শূন্যপদ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নীতিমালা, কারিকুলাম ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এসব উদ্যোগের সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ আরও কার্যকর করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণে শুধু বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে বিষয়গুলো সহজ ও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখানো হবে। বেসরকারি স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ ও বদলিতে রাজনৈতিক প্রভাব বা মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, কারও পদায়ন অবৈধ প্রমাণিত হলে তা পর্যালোচনা করে বাতিল করা হবে। নতুন শিক্ষক নীতিমালায় মূল্যায়নভিত্তিক ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নীতিমালা করা হবে, যাতে অতিরিক্ত শিক্ষক থাকা বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী বদলি করা যায়।

বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্কুলভিত্তিক ইআরপি ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত আছেন কি না, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসেছে কি না এবং নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে কি না—তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এরই মধ্যে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেলের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি শুধু আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; নতুন শিক্ষক নীতিমালায় এ নিয়ে কাজ চলছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করছে। পরে তা মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

দুর্গম উপকূলীয় এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। কোনো এলাকা সরকারি তালিকায় দুর্গম হিসেবে রয়েছে কি না, তার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন কোনো এলাকাকে শিক্ষকদের জন্য বাস্তবে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ও প্রমাণ করতে পারলে সেখানে বিশেষ ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কৃতি ও খেলাধুলার কার্যক্রম আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য সংস্কৃতি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রশিক্ষক, কোচ ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগ্রহী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক প্রশিক্ষিত শিক্ষক সাময়িকভাবে নিয়োগের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


২০২৭ থেকে সরকারি প্রাথমিকের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে একবেলা পুষ্টিকর খাবার

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

২০২৭ সাল থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন একবেলা পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে নিয়ে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আগামী বছর সারাদেশে কর্মসূচিটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের আওতাধীন ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির শুরুতে খাবার সরবরাহ ও মান নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে বর্তমানে সেসব সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়েছে। নিয়মিত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো বিদ্যালয়ে অপরিপক্ব কলা বা নিম্নমানের খাবার পৌঁছালে তা গ্রহণ না করে সরবরাহকারীকে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পচা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর টেন্ডার বা সরবরাহ আদেশ বাতিল করা হতে পারে। গত দুই থেকে আড়াই মাসে নতুন নীতিমালার আওতায় পাইলট প্রকল্পে ভুলের হার প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, আগের সময়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় ভবনের যে নকশা করা হয়েছিল, তাতে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো পরিকল্পনায় মান, নিরাপত্তা এবং বাস্তব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

খুলনার মুহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন, খেলার মাঠ ও শিক্ষক সংকট নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যালয়টিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কেন হচ্ছে না, সে বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

দেশব্যাপী শিক্ষক সংকটের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের শ্রেণিকক্ষে যোগদানের লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে অধিকাংশ শূন্যপদ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নীতিমালা, কারিকুলাম ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এসব উদ্যোগের সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ আরও কার্যকর করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণে শুধু বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে বিষয়গুলো সহজ ও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখানো হবে। বেসরকারি স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ ও বদলিতে রাজনৈতিক প্রভাব বা মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, কারও পদায়ন অবৈধ প্রমাণিত হলে তা পর্যালোচনা করে বাতিল করা হবে। নতুন শিক্ষক নীতিমালায় মূল্যায়নভিত্তিক ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নীতিমালা করা হবে, যাতে অতিরিক্ত শিক্ষক থাকা বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী বদলি করা যায়।

বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্কুলভিত্তিক ইআরপি ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত আছেন কি না, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসেছে কি না এবং নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে কি না—তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এরই মধ্যে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেলের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি শুধু আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; নতুন শিক্ষক নীতিমালায় এ নিয়ে কাজ চলছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করছে। পরে তা মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

দুর্গম উপকূলীয় এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। কোনো এলাকা সরকারি তালিকায় দুর্গম হিসেবে রয়েছে কি না, তার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন কোনো এলাকাকে শিক্ষকদের জন্য বাস্তবে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ও প্রমাণ করতে পারলে সেখানে বিশেষ ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কৃতি ও খেলাধুলার কার্যক্রম আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য সংস্কৃতি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রশিক্ষক, কোচ ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগ্রহী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক প্রশিক্ষিত শিক্ষক সাময়িকভাবে নিয়োগের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ